আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আখাউড়া উপজেলা সাংবাদিক কমিউনিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মো. আতাউর রহমান সরকার।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় আখাউড়া উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আতাউর রহমান সরকার অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী মাঠে প্রশাসনের নিরপেক্ষতার ঘাটতি স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একটি বিশেষ দলকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, অথচ জামায়াতসহ বিরোধী দলগুলোর কর্মসূচিতে নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর আগেই একটি দল মোটরসাইকেল শোডাউন ও বড় আকারের মিছিল নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে, যা স্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। এসব বিষয় প্রশাসনের নজরে আনা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বিজয় দিবসের কর্মসূচির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, গত ১৬ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কসবা ও আখাউড়ায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আচরণবিধির অজুহাতে কর্মসূচি পালন করতে দেননি। অথচ একই সময়ে বিএনপির দুই গ্রুপ নির্বিঘ্নে কর্মসূচি পালন করেছে, যা প্রশাসনের নিরপেক্ষতার অভাবকে স্পষ্ট করে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন স্থানে বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা জামায়াতের নেতা-কর্মীদের প্রচারে বাধা দিচ্ছে, ব্যানার ও বিলবোর্ড ছিঁড়ে ফেলছে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করছে। ধরখার ইউনিয়নে একজন কর্মীকে মারধরের ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এছাড়া সম্প্রতি কসবায় এক কর্মীকে ফোন করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে নদী-নালা, খাল-বিল সংরক্ষণ, যুব সমাজের জন্য উচ্চশিক্ষায় বিনামূল্যে স্কলারশিপ, স্বাস্থ্যসেবা খাতের আধুনিকায়ন, পাঁচটি অ্যাম্বুল্যান্স সংযোজন, রাস্তাঘাট সংস্কার এবং এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর সমাধানে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি আখাউড়া ও কসবার সাংবাদিকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
আসন্ন নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কয়েকটি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেগুলোর তালিকা প্রশাসনের কাছে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগেও পক্ষপাতিত্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শেষে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের দায়িত্ব। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত না হলে জামায়াতে ইসলামী রাজপথে নেমে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বোরহান উদ্দিন খান,এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা শিবির সভাপতি জুলফিকার হায়দার রাফী, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি সানাউল্লাহ, সাবেক উপজেলা শিবির সভাপতি শেখ ছাদেকুল ইসলাম, উপজেলা সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল হিমেল, জেলা এনসিপি নেতা এম. এ. মামুন শরীফ বাতেন, উপজেলা এনসিপি নেতা মো. রুবায়েদ, সাহেব আলী, প্রবাসী জামায়াত নেতা জামিল ভুইয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);