আকিজ বশির গ্রুপ বাংলাদেশের বৈদ্যুতিক তার ও কেবল শিল্পে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। গ্রুপটির নতুন ব্র্যান্ড আকিজ বশির কেবলস-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উন্নত প্রযুক্তিতে নির্মিত ৩-লেয়ার ইনসুলেটেড কেবল উন্মোচন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ঢাকায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আকিজ বশির গ্রুপের চিফ অপারেটিং অফিসার মোহাম্মদ খোরশেদ আলম ব্র্যান্ডটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হেলাল আহমেদ, হেড অব বিজনেস, কেবলস্ অপারেশনস মোহাম্মদ ওমর ফারুকসহ আকিজ বশির গ্রুপের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, কর্পোরেট সহযোগী এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডাররা
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই আয়োজনটি বাংলাদেশের দ্রুত সম্প্রসারিত বৈদ্যুতিক তার ও কেবল খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
পিওর কপার দ্বারা তৈরি, ৩-লেয়ার ইনসুলেশন প্রযুক্তিতে প্রস্তুত এই কেবল সর্বোচ্চ ১০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপ সহনশীল। এই উদ্ভাবন দেশের বৈদ্যুতিক নিরাপত্তায় একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে এবং আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চাহিদা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
প্রথম দিন থেকেই দেশজুড়ে ৩২টি নিজস্ব সেলস সেন্টার ও ডিলার ডিস্ট্রিবিউটর নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে, যা শুরু থেকেই সারাদেশে সহজলভ্যতা নিশ্চিত করবে। “Confidence Within” ট্যাগলাইন নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই ব্র্যান্ডটি নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও দীর্ঘমেয়াদি পারফরম্যান্সে আকিজ বশির গ্রুপের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
মোহাম্মদ খোরশেদ আলম জানান, ‘আকিজ বশির গ্রুপের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আধুনিক উৎপাদন সক্ষমতার ভিত্তিতে আকিজ বশির কেবলস্ আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের চাহিদা পূরণে মানসম্মত বৈদ্যুতিক তার ও পাওয়ার কেবলের পোর্টফোলিও নিয়ে বাজারে প্রবেশ করেছে।’
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ‘আকিজ বশির কেবলস্ খুব শিগগিরই বাংলাদেশের সবচেয়ে নিরাপদ ও বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। নিজস্ব শোরুমভিত্তিক সারাদেশব্যাপী বিতরণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও ভবিষ্যৎ উপযোগী ইলেকট্রিক পণ্য সরবরাহ করে বাংলাদেশের ঘরবাড়ি, শিল্প ও অবকাঠামো খাতে নিরাপদ বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’
সালাউদ্দিন/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);