মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দেশে-বিদেশে সম্পদ গড়ার অভিযোগ: দুদক সিলেট সফরে আসছেন রাষ্ট্রপতি | Amar Bangla BANGLADESH মেট্রোরেলের গাবতলী – দাশেরকান্দি রুট একনেকে উঠছে বুধবার জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৎ সাহস থাকলে দেশে ফিরে আসুন : সমাজকল্যাণমন্ত্রী বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষায় সরকার সচেতন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সবার জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে: ডা. জুবাইদা রহমান ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক অতীতের ১৫ বছর থেকে নতুন দিকে নিতে চাই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেভরন প্রতিনিধিদলের বৈঠক রাস্তার দাবিতে মহাসড়কে অবস্থান, গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ-মানববন্ধন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণার পরই বিদ্যুৎ নিয়ে তালবাহানা ভারতের আদানির! দেশে সারের কোনো সংকট নেই: কৃষিমন্ত্রী পুলিশের ৫ কর্মকর্তা বদলি | Amar Bangla BANGLADESH কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ছয় মাসেও জ্বালানি সংকট কাটাতে পারেনি সরকার: ডা. শফিকুর রহমান পানি বণ্টন নিয়ে ভারতকে শিগগিরই অবহিত করবে সরকার: তিতুমীর মোহাম্মদপুরে থাকবে না কিশোর গ্যাং: ডিএমপি কমিশনার আওয়ামী লীগকে ফেরাতে জামায়াত চক্রান্ত করছে: রাশেদ খাঁন রাপা প্লাজায় এডিসের লার্ভা, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস

অবহেলায় বিলীনের পথে অলওয়েদার সড়ক

সীমু দা
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ন
%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC %E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0 %E0%A6%AA%E0%A6%A5%E0%A7%87 %E0%A6%85%E0%A6%B2%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0 %E0%A6%B8%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%95

ভয়াবহ নদীভাঙনের কবলে পড়েছে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙ্গালপাড়া থেকে নোয়াগাঁও পর্যন্ত হাওরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অলওয়েদার সড়ক। ভাঙনের তোড়ে ফসলি জমি, বিদ্যুতের খুঁটি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। ঝুঁকিতে রয়েছে দুটি গ্রামও। পাঁচদিন ধরে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে আছে নোয়াগাঁও আর উসমানপুর এই দুই গ্রামের মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়েছে। এ নিয়ে এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যে চলছে দায় এড়ানোর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য।

প্রায় সাত বছর আগে ৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি নির্মাণ করে এলজিইডি। বর্তমানে আরও ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে চলছিল সংস্কার কাজ। কিন্তু কাজ চলমান অবস্থাতেই ভয়াবহ নদীভাঙনের কবলে পড়ে প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক বিলীনের মুখে পড়েছে।

বাঙ্গালপাড়া এলাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন আলম বলেন, “রাস্তাটি ভাঙতে শুরু করার পর থেকেই এলজিইডিকে জানানো হয়েছিল। তারাও নিয়মিত এই সড়কে আসা-যাওয়া করে, কারণ বর্তমানে এখানে সংস্কার কাজ চলছে। তারপরও তারা সময়মতো ব্যবস্থা নেয়নি।

বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান রুস্তম বলেন, “এই সড়কের শেষ প্রান্তে মেঘনা নদীর ওপর ১৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে এক হাজার মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণাধীন রয়েছে। সেতুর কাজ শেষ হলে অষ্টগ্রামের নোয়াগাঁওয়ের সঙ্গে উপজেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে হাওরবাসীর সারা বছর যাতায়াতের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হওয়ার আশা ছিল। কিন্তু নদীভাঙনের কারণে সেই স্বপ্ন এখন অনিশ্চয়তার মুখে।”

বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা হিরণ মিয়া বলেন, “এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। ভয়াবহ নদীভাঙনে সড়কের বড় অংশ বিলীন হয়ে গেছে। অনেক ফসলি জমি ও বিদ্যুতের খুঁটি নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে যাওয়ায় পাঁচদিন ধরে এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। নোয়াগাঁও ও উসমানপুর গ্রামের মানুষ মোবাইল চার্জ দিতে পারছে না। প্রবাসে বা বাড়ির বাইরে থাকা স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগেও সমস্যা হচ্ছে। রাতে হারিকেন আর মোমবাতি জ্বালিয়ে চলতে হচ্ছে।”

একই এলাকার বাসিন্দা ইসলাম উদ্দিন বলেন, “দুই গ্রামের অবস্থা এখন খুবই ভয়াবহ। কোনো প্রসূতি রোগীর জরুরি অবস্থা হলে মৃত্যুঝুঁকি ছাড়া উপায় নেই। কারণ রাস্তা ভাঙা চাইলেই হাসপাতালেও নেয়া সম্ভব হবে না। তিনি আরও বলেন, এবারের মতো ভয়াবহ ভাঙন আগে কখনও দেখিনি। আগে এই রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে পারতাম। এখন রাস্তা ভেঙে গেছে, গ্রামও ভেঙে যাচ্ছে। আমরা আতঙ্কের মধ্যে আছি।”

একই গ্রামের বাসিন্দা শাহজাহান মিয়া বলেন, “নদীভাঙনে জমি চলে গেছে, তাতে এত কষ্ট ছিল না। কিন্তু উপজেলা সদরে যোগাযোগের একমাত্র রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। নদীর মুখটা কেটে দিলে রাস্তা ও গ্রাম দুটিই রক্ষা পাবে।”

এদিকে এলজিইডির দাবি, নদীভাঙন শুরু হওয়ার পর থেকেই পানি উন্নয়ন বোর্ডকে মৌখিকভাবে একাধিকবার জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি তারা।

অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক বলেন, “সড়কটির পাশেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্পের কাজ চলছে। তারা নিয়মিত দেখছে যে নদীভাঙন হচ্ছে। এমনকি পানি উন্নয়ন বোর্ডের অষ্টগ্রামের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. সেলিম মিয়াকেও অনেকবার বলা হয়েছে। তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে কী হলো সেটা তারাই ভালো বলতে পারবেন।”

অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, ৭ মে’র আগে এ বিষয়ে তাদের কাছে লিখিত বা মৌখিকভাবে কোনো তথ্য পৌঁছায়নি। কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “এলজিইডির পক্ষ থেকে ৭ মে একটি চিঠি পেয়েছি। এর আগে লিখিত বা মৌখিকভাবে কেউ কিছু জানায়নি। আগে জানলে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সহজ হতো। এখন গভীরতাও অনেক বেড়ে গেছে। তারপরেও বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”



কুশল/সাএ

!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,

fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Theme Created By