হাউজবোডের লোকজনের হামলায় যুবক নিহতের ঘটনায় ১৫ জনের নামে মামলা সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে কেবিটি প্রেজেন্টস নোটিলাস নামে হাউজবোডের লোকজনের হামলায় ভৈরব গামী মালবাহী নৌকার মালিকের ছেলে আমান উল্লাহ আমিন (২২) নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে নিহতের পিতা বাদী হয়ে হাউজ বোডটির মালিক সহ ১১ জনের নাম উল্লেখ্য করে ৩/৪ জনকে অজ্ঞাত রেখে মামলাটি দায়ের করে। এর পূর্ব ভোর রাত ২-৩ টার দিকে হাউজবোডে লোকজন হামলা চালায়।
নিহত মালবাহী নৌকার মালিকের ছেলে আমিন কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের কলাপাড়া গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে।
এই ঘটনায় হাউজবোডের মালিক তার স্ত্রী সহ ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত সুশংকর পাল জানিয়েছেন,হাউজবোডটি তাহিরপুর থানা পুলিশ আটক করেছে। বুধবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর হয়েছে। এবং মামলায় আটককৃতদের আদালত পাঠানো হয়েছে।
নিহতের পিতা কামাল হোসেন জানান,আমাকে আটক করে মারধর করেছে,আমার ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পরও তারা নারী নির্যাতনের মামলা দিবে বলে হুমকিও দেয়। তাদের হাত নাকি অনেক লম্বা। আমি ন্যায় বিচার চাই।
মামলার আসামীরা হলো,কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার পাচঁরা গ্রামেট মোঃ ফরিদ উল্ল্যার ছেলে ফায়াদ বায়োজিদ (৩৫),তার স্ত্রী শারমিন খান হীরা (৩৩),সুনামগঞ্জ জেলার সদরের পশ্চিম তেঘরিয়ার মৃত মোঃ আশুবুর রহমানের ছেলে আজাদ মিয়া (৪২),একেই এলাকার মৃত মোঃ আরজত আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩০),মুন্সিগঞ্জ জেলার বামৈল(পশ্চিমগাড়া)মোঃ সামছুল আলম এর ছেলে মোঃ হোসাইন শাহ (১০),শ্রীনগর থানার সেলামতি গ্রামের মোঃ হাছান আলীর ছেলে উসামা বিন হাছান (২৩),বান্দরবান জেলার আলীকদম থানার রতীচন্দ্রপাড়ার হামাজন ত্রিপুরার ছেলে জয় ত্রিপুরা (১৯),তাহিরপুর থানার আনোয়ারপুর গ্রামের মোঃ আলমাস নুরের ছেলে মোঃ হাবিব মিয়া (১৮),ধরুন গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে মোঃ দুলাল মিয়া,বরিশাল জেলার গৌরনদী থানার ধানডোবা আঃ রহমান ভূইয়ার ছেলে মোঃ রাজীব ভূইয়া (২৩),খুলনা জেলার রুপসা থানার সিংগেরচর গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে মনিরুল খান (৪৬)সহ ৩/৪জন গং। উল্লেখ্য,গত মঙ্গলবার (০৯ জুন) ভোর রাত ২-৩ টার দিকে উপজেলা বালিজুড়ী ইউনিয়নের আনোয়ারপুর-পাতারী এলাকায় হাউজবোডের হাউজ বোর্ডের ১০-১৫ লোকজন মালামাল পরিবহনকারী নৌকা উপর হামলা চালায় তাদের হাউজবোড কে মালবাহী নৌকা ধাকা দেয়। এসময় নৌকায় থাকা ৫ জন ও যাত্রী ছিলো আরও ৩ জনের উপর। এ সময় সবাই নৌকা থেকে রক্তি নদীতে লাফিয়ে পরে সাতরে তীরে উঠে। এরপর পর থেকে আমান উল্লাহ আমিন নিখোঁজ ছিলো। বিকেলে তার লাশ রক্তি নদীতে ভেসে ওঠে। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);