ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর দাফন ও রাষ্ট্রীয় জানাজার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে- এমন দাবি করেছে কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। তবে এ বিষয়ে এখনো স্বাধীনভাবে কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
গালফ নিউজসহ কয়েকটি প্রতিবেদনের বরাতে বলা হয়, তেহরানের ডেপুটি মেয়র মোহাম্মদ আমিন তাভাকোলিজাদেহ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন—এমন তথ্যও উল্লেখ করা হলেও এ ধরনের কোনো ঘটনার স্বাধীন বা আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এখনো পাওয়া যায়নি।
আরও বলা হয়, পরিকল্পনা অনুযায়ী তেহরান, কোম এবং মাশহাদে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও জানাজা আয়োজনের কথা ভাবা হচ্ছিল এবং পরবর্তীতে মাশহাদে দাফনের প্রস্তুতির কথাও উল্লেখ করা হয়। তবে এসব তথ্যের সত্যতা নিয়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তা রয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিত্বকে ঘিরে যেকোনো ধরনের মৃত্যু বা হামলার খবর অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং একাধিক নির্ভরযোগ্য উৎস ছাড়া তা নিশ্চিত হিসেবে গ্রহণ করা যায় না।
তাভাকোলিজাদেহ আরও উল্লেখ করেন, রাজধানী তেহরানে খামেনির এই বিদায় অনুষ্ঠানটি টানা অন্তত ২৪ ঘণ্টা স্থায়ী হবে। ইরানের এই সর্বোচ্চ নেতার শেষ জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করছে দেশটির প্রশাসন।
এখন পর্যন্ত ইরান সরকারের পক্ষ থেকে খামেনির মৃত্যু বা দাফন নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);