চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের দুই দফা সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের কোনো গাফিলতি থাকলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে নগরের লালদিঘিস্থ সিএমপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সিএমপি কমিশনার বলেন, সিটি কলেজে সংঘর্ষের ঘটনায় আমাদের অভিযান চলছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি জানান, এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করেনি।
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংঘর্ষের সময় পুলিশের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা আমরা তদন্ত করে দেখব। যদি গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, সংঘর্ষে অস্ত্রধারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে এক দফা সংঘর্ষের পর বিকেলে আবারও সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কলেজ কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ ক্লাস ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করে। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষ ও মাস্টার্সের পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হয়।
সিটি কলেজের একটি দেয়ালে লেখা ‘ছাত্ররাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’ শিরোনামের একটি গ্রাফিতি ঘিরে এই উত্তেজনার সূত্রপাত। সোমবার রাতে ছাত্রদলের একদল নেতা-কর্মী ওই গ্রাফিতি পরিবর্তন করলে পরদিন সকালে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম দফা সংঘর্ষ শুরু হয়।
সকালের ঘটনার পর বিকেল চারটার দিকে ছাত্রশিবিরের তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে আবারও সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় উভয় পক্ষের হাতে লাঠিসোঁটা দেখা যায় এবং কলেজ ক্যাম্পাসের সামনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ চলে। ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তাদের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
বুধবার সকালে একই অভিযোগ করেন সংঘর্ষে আহতদের দেখতে চট্টগ্রামে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
সংঘর্ষে ছাত্রশিবিরের কর্মী আশরাফুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। তার ডান পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);