টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার গুলিপেচা গ্রামে বাকি খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে ব্যাপক সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে পুরো তাণ্ডবের মধ্যেও স্থানীয় এমপির বাড়ি অক্ষত রয়েছে।
জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে নলিনবাজার এলাকার এরশাদের দোকানে গুলিপেচা গ্রামের টগর নামের এক ব্যক্তি বাকি নিতে গেলে দোকানদারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও বাগবিতণ্ডা হয়। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর গুলিপেচা গ্রামের কয়েকজন এসে দোকানদারকে মারধর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অর্জুনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নিয়ামত আলী মাস্টার ও হে সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর আলম খান ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে মাইকিং করে উত্তেজিত জনতা গুলিপচা গ্রামে হামলা চালায়।
এ সময় এমপির বাড়ি ছাড়া প্রায় শতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় গুলিপেচা গ্রামের কেউ আহত হয়েছে এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে নলিনবাজার এলাকায় কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলার প্রশাসন এবং পুলিশ যৌথভাবে এলাকায় মোতায়েন রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
গোপালপুর থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন এখন পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে, দুপক্ষে এলাকার নীতি স্থানীয় লোকদের সাথে কথা হয়েছে, ওনারা বসে মীমাংসা করবে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ মামলা প্রক্রিয়া যায়নি, মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হইবে।
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);