চলতি বছরের শুরুর দিকে ব্রিটিশ জলসীমা ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করা রুশ সাবমেরিনগুলোর সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে সামরিক জাহাজ মোতায়েন করেছিল যুক্তরাজ্য। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ছিল, সমুদ্রতলের কেবল ও পাইপলাইনের ওপর যেকোনও নাশকতা প্রতিরোধ করা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি এ তথ্য জানিয়েছেন।
যুক্তরাজ্যের অভিযোগ, মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার সুযোগে উত্তরাঞ্চলীয় সামুদ্রিক এলাকায় (হাই নর্থ) গোপন অভিযান চালানোর চেষ্টা করেছিল রাশিয়া। এই অঞ্চলটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ এবং সমুদ্রতলের কেবলসহ অত্যাবশ্যক অবকাঠামোর জন্য পরিচিত।
হিলি জানান, ব্রিটিশ বাহিনী এবং মিত্র দেশগুলোর মধ্যে নরওয়ের সহায়তায় রুশ জাহাজগুলোর গতিবিধি নজরদারি ও প্রতিহত করা হয়। তিনি আরও বলেন, সাবমেরিনগুলো ইতোমধ্যে এলাকা ত্যাগ করেছে এবং সমুদ্রতলের অবকাঠামোর কোনও ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট পুতিনকে আমি বলতে চাই, আমরা আপনাদের দেখছি। আমাদের কেবল ও পাইপলাইনের ওপর আপনাদের কার্যক্রম আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। এগুলোর ক্ষতি করার কোনও চেষ্টা সহ্য করা হবে না। এর গুরুতর পরিণতি হবে।’
লন্ডনে রাশিয়ার দূতাবাস এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য করেনি। এর আগে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে রাশিয়া।
হিলি জানান, রুশ অভিযানে একটি আকুলা-শ্রেণির অ্যাটাক সাবমেরিন এবং মস্কোর ‘মেইন ডিরেক্টরেট ফর ডিপ সি রিসার্চের’ (জিইউজিআই) আওতাধীন দুটি বিশেষায়িত সাবমেরিন অংশ নেয়।
তিনি বলেন, ‘এই সাবমেরিনগুলো শান্তিকালীন সময়ে সমুদ্রতলের অবকাঠামো পর্যবেক্ষণের জন্য তৈরি। আর সংঘাতের সময় এগুলো নাশকতার কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।’
রুশ জাহাজগুলো আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রবেশ করার পর ব্রিটেন তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে একটি ফ্রিগেট, একটি সহায়ক ট্যাংকার এবং একটি সামুদ্রিক টহল বিমান পাঠায়।
নরওয়ের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানায়, তাদের সশস্ত্র বাহিনী একটি পি-৮ সামুদ্রিক টহল বিমান এবং একটি ফ্রিগেট মোতায়েন করেছিল।
হিলি বলেন, সাবমেরিনগুলো ব্রিটেনের আঞ্চলিক জলসীমায় প্রবেশ করেনি। তবে দেশটির ‘এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন’ এবং মিত্র দেশগুলোর জলসীমায় অবস্থান করছিল।
সূত্র: রয়টার্স।
সালাউদ্দিন/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);