ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) দাবি করেছে, “অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪”-এর ৭৩তম দফা হামলায় ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় ২০০-এর বেশি হতাহত হয়েছে। একইসঙ্গে তারা অভিযোগ করেছে, ক্ষয়ক্ষতির তথ্য গোপন রাখতে সাংবাদিকদের ওপর চাপ বাড়িয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। খবর- তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলে নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এতে দক্ষিণাঞ্চলের আরাদ, দিমোনা, ইলাত, বিয়ার শেবা ও কিরিয়াত গাত এলাকায় অবস্থিত সামরিক স্থাপনা ও নিরাপত্তা কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ার পর এসব হামলা সফলভাবে আঘাত হানে।
একইসঙ্গে, অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি—আলি আল সালেম, আল মিনহাদ ও আল ধাফরা—লক্ষ্য করে ফাত্তাহ, কদর ও এমাদ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আইআরজিসি জানিয়েছে, হামলার প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ২০০-এর বেশি হতাহত হয়।
এদিকে, ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য প্রকাশে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা ও সংবাদ প্রকাশে সীমাবদ্ধতা আরোপের চেষ্টা চলছে বলে দাবি করা হয়।
আইআরজিসি আরও বলেছে, চলমান সংঘাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর নেতৃত্বাধীন যুদ্ধ নীতির কারণে অধিকৃত অঞ্চলের বাসিন্দাদের পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। বিশেষ করে সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনার আশপাশে বসবাসকারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);