আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থিতা নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে বিএনপির তিন প্রভাবশালী প্রার্থীর বিষয়ে চূড়ান্ত রায় দিয়েছেন আদালত।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে একজন প্রার্থী স্বস্তি পেলেও অপর দুইজনের জন্য এসেছে নেতিবাচক সিদ্ধান্ত।
রায়ে কুমিল্লা–১০ (নাঙ্গলকোট–লালমাই) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার প্রার্থিতাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত ঋণখেলাপির অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে আপিল বিভাগ তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেন। ফলে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে থাকতে তার আর কোনো আইনি বাধা রইল না।
অন্যদিকে, একই আসনের বিএনপির আরেক প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করেছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আপিল বিভাগ প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। এর ফলে তিনি এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।
এদিকে, কুমিল্লা–৪ (দেবীদ্বার) আসনে বিএনপি মনোনীত হেভিওয়েট প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতাও বাতিল হয়েছে। তার করা ‘লিভ টু আপিল’ খারিজ করে দিয়ে ঋণখেলাপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশন ও হাইকোর্টের দেওয়া মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ।
উল্লেখ্য, এই আসনে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট থেকে নির্বাচন করছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
এর আগে তিনিই ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিলের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেন। পরে গত ১৭ জানুয়ারি বিকেলে কুমিল্লা–৪ আসনে ঋণখেলাপির অভিযোগের ভিত্তিতে ইসি মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এই আদেশের পর এই তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা নিয়ে সকল আইনি প্রক্রিয়ার অবসান ঘটল। রায়ের ফলে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া নির্বাচনী মাঠে ফিরলেও আবদুল গফুর ভূঁইয়া ও মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী এবারের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);