পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে ছয় বছর আগে স্ত্রী মেগান মার্কেলকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স হ্যারি। তবে সম্প্রতি নিজ দেশে ফিরেছেন তিনি।
হ্যারি ও মেগানের রাজপরিবারে ফিরে আসা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি যদি ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য হতেন, তাহলে এই দম্পতিকে আর ফিরিয়ে নিতেন না। কারণ তাঁর মতে, তারা রাজপরিবারের প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল ছিল না।
স্থানীয় সময় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, হ্যারি-মেগান যুক্তরাষ্ট্র থেকে চলে যাওয়ায় তিনি খুশি। তিনি বলেন, “আমি তাদের ভক্ত ছিলাম না। আমার মনে হয়, তারা রাজপরিবারকে অনেক বেশি অসম্মান করেছে। বিষয়টি আমার ভালো লাগেনি। বিশেষ করে মেগান মার্কেল যেভাবে রাজপরিবারের সঙ্গে আচরণ করেছে, তা আমার পছন্দ হয়নি। আমার মতে, রাজা ও রানির প্রতি মেগানের আচরণ ছিল অত্যন্ত অশ্রদ্ধাপূর্ণ।”
সম্প্রতি বাবা ও ব্রিটেনের বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে দেখা করেছেন প্রিন্স হ্যারি। দীর্ঘদিনের দূরত্বের পর এই সাক্ষাৎকে বাবা-ছেলের সম্পর্ক উন্নতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এখনো স্বাভাবিক হয়নি। ফলে উইলিয়ামের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখেই চলছেন হ্যারি।
বর্তমানে ক্যানসারের চিকিৎসা নিচ্ছেন রাজা তৃতীয় চার্লস। এমন সময়ে বাবার কাছে হ্যারির ফিরে আসাকে পারিবারিক সম্পর্ক মেরামতের একটি উদ্যোগ হিসেবেও দেখছেন অনেকে।
তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি যদি রাজা তৃতীয় চার্লসের জায়গায় থাকতেন, তাহলে হ্যারি ও মেগানকে রাজপরিবারে ফিরিয়ে নিতেন না। তিনি বলেন, “সম্ভবত আমি ভিন্ন। আমি তাকে (প্রিন্স হ্যারি) ফিরিয়ে নিতাম না। আমি যদি রাজপরিবারের সদস্য হতাম, তাহলে তাদের ফিরিয়ে নিতাম না।”
হ্যারি ও রাজপরিবারের মধ্যে দূরত্ব তৈরির পেছনে স্ত্রী মেগান মার্কেলের ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন অনেকে। ট্রাম্পও অতীতে মেগানের সমালোচনা করেছেন। এবারও তাঁর বক্তব্যে সেই অসন্তোষের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি