বগুড়ার শেরপুরে মহাসড়কে চলন্ত ট্রাকের গতিরোধ করে ১২টি গরুসহ একটি ট্রাক ছিনতাইয়ের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ডাকাত দলের মারধরের শিকার ও শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ইতোমধ্যে ৫টি গরুর মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ অভিযান চালিয়ে লুণ্ঠিত ৭টি গরু ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত ট্রাক উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে এখনো হদিস মেলেনি বাকি ৫টি বড় গরুর।
এ ঘটনায় দেষীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে শুক্রবার দুপুরে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার পরচংগা গ্রামের হাবিবুল্লাহর ছেলে জামাল উদ্দিন লালমনিরহাটের পাটগ্রাম এলাকা থেকে প্রায় ১৬ লাখ টাকা মূল্যের ১২টি গরু ক্রয় করে একটি ট্রাকে করে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বগুড়ার শেরপুর থানার রাজাপুর এলাকায় পৌঁছালে বৃহস্পতিবার রাতে ১৫-২০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল একটি খালি ট্রাক দিয়ে তাদের গতিপথ রোধ করে। ডাকাতরা ট্রাকে থাকা ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিনসহ তিনজনকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে তাদের নিজেদের খালি ট্রাকে তুলে নিয়ে গরু ভর্তি ট্রাকটিসহ ধুনটের দিকে রওনা দেয়। এবং শেরপুর-ধুনট আঞ্চলিক সড়কের বোয়ালকান্দি এলাকায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাদের ফেলে রেখে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। সেখান থেকে মুক্ত হয়ে গরুর মালিকরা তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ যোগাযোগ করেন।
শেরপুর থানা পুলিশ দ্রুত তৎপরতা শুরু করে এবং অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন দিনাজপুরের কাহারোল থানার রায়পুর গ্রামের (বর্তমানে সাভার, ঢাকা) মৃত আঃ করিম সরকারের ছেলে মোঃ আব্দুস সালাম সরকার (৩৫) এবং মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানার বাচামারা গ্রামের (বর্তমানে আশুলিয়া, ঢাকা) মোঃ জনাব আলীর ছেলে মোঃ বুলু মিয়া (২৮)।
গ্রেপ্তারকৃতদের হেফাজত থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ১টি ট্রাক এবং ওই ট্রাকের ভেতর থেকে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যাওয়া ৫টি গরু উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ধৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ ১০ জুলাই, রাত ২টার দিকে যমুনা সেতু পশ্চিম থানাধীন গোলচত্বর এলাকায় এক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখান থেকে ডাকাতি চক্রের আরেক সদস্য মহিদুলকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়। মহিদুল মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানার বাচামারা গ্রামের মোহাম্মদ আলী মন্ডলের ছেলে। এ সময় তার হেফাজত থেকে লুণ্ঠিত বাকি ২টি জীবিত গরু উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি মহিদুলের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে ইতিপূর্বেও একটি চুরি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, ঘটনার পর ৯৯৯-এর তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে ৩ ডাকাতকে গ্রেপ্তার এবং ৫টি মৃত ও ২টি জীবিতসহ মোট ৭টি গরু উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত বাকি ডাকাতদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত অন্য ৫টি বড় গরু উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বাপ্পি/সা.এ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);