মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বুধবার খুলছে ধউর-আশুলিয়া সার্ভিস লেনের সেতু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে ১৪২% সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির প্রশংসা রাষ্ট্রপতির ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬৩ ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬৩ আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল সাগরে লঘুচাপ, পাঁচদিন দেশজুড়ে বৃষ্টি পথচারীকে চাপা দিয়ে হত্যা, বাস আটক ডিএমপিতে ৫ অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনারের পদায়ন ‘সরকার কাউকে গুম করেনি, করতেও দেবে না’ বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার বন্ধুত্ব পারস্পরিক বিশ্বাসে প্রতিষ্ঠিত ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫২২ ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৪ অপরাধ দমনে ব্যর্থ হলে কঠোর ব্যবস্থা শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর কাছে হাসনাতের দুঃখ প্রকাশ ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৯৬ ঢাকায় বাড়বে গরম, বৃষ্টিরও সম্ভাবনা

মুকসুদপুরে ২৬ বছরেও নির্মিত হয়নি বর্জ্য ফেলার স্থায়ী ভাগাড়

সীমু দা
সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ন
%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87 %E0%A7%A8%E0%A7%AC %E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%93 %E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4 %E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8%E0%A6%BF %E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF %E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0 %E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%80 %E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠার প্রায় ২৬ বছর পেরিয়ে গেলেও বাসাবাড়ি ও বাজারের বর্জ্য ফেলার জন্য স্থায়ী কোনো ভাগাড় তৈরি হয়নি। ফলে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে সংগ্রহ করা ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে খোলা জায়গায়। বর্তমানে কুমার নদীর পাড়কে অস্থায়ী ভাগাড় হিসেবে ব্যবহার করছে পৌর কর্তৃপক্ষ।


এভাবে যত্রতত্র বর্জ্য ফেলায় এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও পথচারীদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। বর্তমানে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চন্ডিবর্দী এলাকায় কুমার নদীর পাশে নিয়মিত বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষের এমন ব্যবস্থাপনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালে মুকসুদপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভা থেকে ‘খ’ শ্রেণিতে উন্নীত হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কোনো ভাগাড় নির্মাণ করা হয়নি।


প্রায় পাঁচ থেকে সাত বছর ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে পৌরসভার বর্জ্য ফেলা হতো। পরে গোপিনাথপুর আটাডাঙ্গা বাওড় এলাকায় ময়লা ফেলা শুরু হয়। বর্তমানে টেংরাখোলা বাজারের চন্ডিবর্দী এলাকায় কুমার নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে।


স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন পৌরসভার গাড়িতে করে বিভিন্ন এলাকার ময়লা এনে নদীর পাশে ফেলা হচ্ছে। এতে বর্জ্য নদীর পানিতে মিশে পানি দূষিত হওয়ার পাশাপাশি রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্গন্ধের কারণে পথচারীদের নাক-মুখ ঢেকে চলাচল করতে হচ্ছে।


টেংরাখোলা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, বাতাস বা ঝড় শুরু হলে ময়লার স্তূপ থেকে আবর্জনা উড়ে পুরো বাজারে ছড়িয়ে পড়ে। আবার বৃষ্টির সময় বর্জ্য পচে তীব্র দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। এতে ব্যবসা পরিচালনা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।


ওই এলাকার বাসিন্দা উত্তম কুমার বলেন, দুর্গন্ধের কারণে বাজারের ব্যবসায়ীদের দোকানে বসে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। পথচারীদের অনেকেই কাপড় দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে চলাচল করেন। ময়লার স্তূপের পাশেই একটি স্কুল ও মসজিদ রয়েছে। দুর্গন্ধের কারণে কেউ কেউ বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন।


টেংরাখোলা বাজারের ব্যবসায়ী হাসান মোল্যা বলেন, বাজারের কসাইখানার বর্জ্য, পচা ফল ও সবজিসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা এক জায়গায় ফেলা হচ্ছে। বাতাস শুরু হলেই দুর্গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে পুরো এলাকায় চলাচল করাই কঠিন হয়ে যায়।


মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রায়হান ইসলাম শোভন বলেন, খোলা জায়গায় বর্জ্য ফেললে সেখান থেকে বিভিন্ন ধরনের রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে। বর্জ্যের ওপর মাছি বসে পরে খাবারে বসলে নানা রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে। শুধু মানুষ নয়, এসব বর্জ্যের কারণে বিভিন্ন প্রাণীও আক্রান্ত হতে পারে।


এ বিষয়ে মুকসুদপুর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির বলেন, খাস জমিতে বর্জ্য ফেলার জন্য স্থায়ী ভাগাড় তৈরির বিষয়ে একটি চিঠি পাওয়া গেছে। খাস জমি নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। এটি সম্পন্ন হলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।


তিনি আরও জানান, স্থায়ী ভাগাড় তৈরির পাশাপাশি পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে বড় আকারের একটি করে ডাস্টবিন স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।


আমার বাঙলা/ রাব্বি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Theme Created By