নো ফুয়েল কার্ড, নো পেট্রোল-অকটেন নীতি গ্রহণ করেছে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন। বুধবার সকাল থেকে প্রতিটি পাম্পে এই নীতি কার্যকর করা হবে। এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ফুয়েল কার্ড বিতরন করা হচ্ছে। আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ফুয়েল কার্ড বিতরন করা হবে। এদিকে ফুয়েল কার্ড নিতে দীর্ঘলাইন ও ভোগান্তি পোহাতে হলেও তেল প্রকৃত গ্রাহকরা সুষ্ঠভাবে পাবে বলে গ্রাহকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তবে ডিজেল বিতরন ক্ষেত্রে ফুয়েল কার্ড লাগবে না।
গ্রাহক আমিনুল ইসলাম ও আকমল হোসেন জানান, ফুয়েল কার্ড পেতে সকালে এসেছি বিকেল পর্যন্ত পাইনি। ভোগান্তি হচ্ছে। তবে ভোগান্তি হলেও ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে তেল সহজে পাবো এটাই হবে তৃপ্তির বিষয়। কেউ যাতে তেল কালোবাজারি করতে না পারে এ জন্য কাডটা অনেকাংশই কাজে লাগবে। নিয়মমাফিক তেল বিতরন করলে তেলের সংকটও আশা করি কমে যাবে। এ জন্য সরকারকে ধন্যজ্ঞাপনও করেন তারা।
বিতরনকারী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রুবাইয়াত কবির বলছেন, ১ এপ্রিল থেকে ৪ এপ্রিল সকাল নয়টা থেকে বিকেলে ৫টা পর্যন্ত জেলা সদর ও পৌরসভার পেট্রোল-অকটেন ব্যবহারকারীদের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে স্থাপিত দুটি বুথের কার্ড বিতরন করা হবে। ফুয়েল কার্ড পেতে এনআইডি, ছবি, রেজিষ্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবে। উপজেলাগুলোতেও একই নিয়মে ফুয়েল কার্ড দেওয়া হবে।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলছেন, পেট্রোল ও অকটেনের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে মোটরসাইকেল মালিক-চালকদের জন্য ফুয়েল কার্ড চালু করা হচ্ছে। ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে তেল বিতরন করা হলে তেলের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে বলেও তিনি মনে করেন।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);