মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের জবাবে এবার জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। তাদের দাবি, এ হামলায় একাধিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ও জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ধ্বংস বা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) প্রকাশিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, মার্কিন বাহিনীর আগের রাতের হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই জর্ডানে মোতায়েন থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়। হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।
তবে ইরানের এই দাবির সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। জর্ডান কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকেও হামলায় বিমান ধ্বংস বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য আসেনি। ফলে ঘটনাটির প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র এখনো স্পষ্ট নয়।
এর আগে জর্ডান জানিয়েছিল, তাদের আকাশসীমার দিকে ছোড়া তিনটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। দেশটির দাবি, ওই ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়নি।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনায় বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়। এসব হামলায় সেতু, রেলস্টেশন, বিমানবন্দর, বিদ্যুৎ অবকাঠামোসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এর জের ধরেই অঞ্চলজুড়ে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা বাড়ছে।
সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বৃহত্তর সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশেষ করে জর্ডানের মতো তৃতীয় কোনো দেশের ভূখণ্ডকে কেন্দ্র করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
এদিকে আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কূটনৈতিক মহলের আশঙ্কা, উভয় পক্ষ যদি পাল্টা হামলার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা আরও বিস্তৃত হতে পারে এবং এর প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ওপরও পড়তে পারে।
বাপ্পি/সা.এ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);