গত ৫ই আগস্ট ছাত্র শ্রমিক জনতা তীব্র আন্দোলনের মুখে সরকারের পতনের পরে হঠাৎ করে আত্মপ্রকাশ করে পরিবহন শ্রমিকদের সংগঠন নির্যাতিত মটর শ্রমিক একতা ঐক্য সমগ্র বাংলাদেশ। বলতো এটি একটি ভুয়া সংগঠন যাহার কোনো সরকারি রেজিস্ট্রেশন নম্বর নেই এবং কোন বৈধ কাগজপত্র নাই। কিন্তু ফেসিস্টের দোসররা সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের ঐক্য এবং পরিবেশ বিনষ্ট করার জন্য যড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সংযুক্ত সংগঠন নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্য সমগ্র বাংলাদেশ।
সংবাদ সম্মেলনের সভাপতির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো: সাজ্জাদ মোল্লা, আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনিক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন সোহাগ, মো: নূর হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক, মো: সোহেল মাতব্বর সাধারণ সম্পাদক, মো: আল-আমিন শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সহ সারাদেশ থেকে আগত নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দরা বলেন বংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সারা দেশের সকল বেসিক এবং ইউনিয়ন কমিটিতে প্রায় ৭০ লক্ষ পরিবহন শ্রমিকের একমাত্র প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন যাহার রেল নং-বি- ১৭২৪। প্রত্যেকটি বেসিক ইউনিয়নের রেজিস্টার্ড আইনে নিবন্ধন দিয়েছে। প্রত্যেক বেসিক ইউনিয়নের সদস্যদের সমস্যা দেখভাল করার দায়িত্ব ঐ বেসিক ইউনিয়নের এবং বিভ্রান্তি আঞ্চলিক কমিটি ঐ অঞ্চলের সকল বেসিক ইউনিয়ন এর প্রতিনিধিত্ব করে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, বিভাগীয় আঞ্চলিক কমিটি ও বেসিক ইউনিয়ন শ্রমিকের যেকোন প্রয়োজনে সহযোগিতা করে। কিন্তু তারা নির্যাতিত মটর শ্রমিক একতা ঐক্য সমগ্র নাম নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। সারা দেশে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রয়োজন। এই ভুয়া সংগঠনের নেতৃত্ব যারা আছেন তারা সকলেই বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের দোসর। আপনাদের বেসিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে স্ব স্ব জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার বরাবর স্ব স্ব বেসিক ইউনিয়ন থেকে লিখিতভাবে পত্রের মাধ্যমে জানিয়ে রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।
সংবাদ সম্মেলনের সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো: সাজ্জাদ মোল্লা বলেন, আমরা শ্রমিক নই আমরা ড্রাইভার সাহেব। আমাদেরকে কথা বলার জন্য যদি যুদ্ধ করতে হয় তবু করবো। আমাদের কষ্টের কথা কেউ শোনে না, এখন থেকে এমন আর হবে না। ড্রাইভাররা দূর থেকে আসে তাদের কোন বিশ্রাম এর জায়গা নাই। সংগঠনের নেতাদের মাথার মধ্যে এটা থাকা দরকার ড্রাইভাররা মানুষ, সারাদিন গাড়ি চালিয়ে এসে তাদের একটু বিশ্রাম প্রয়োজন।
এছাড়া তিনি আরো বলেন, এক জেলার শ্রমিক অন্য জেলাতে আসলে শ্রমিককে মূল্যায়ন করেন না। যার জন্য শ্রমিকরা বিশৃঙ্খল হয়ে থাকে। নেতারা শুধু নিজেরাই খেয়ে বাঁচে, কিন্তু আমরা লড়াই করতে রাজি আছি। আমাদের এই সংগঠন সবার জন্য। সব শ্রমিক, ড্রাইভার এবং পেশাজীবীরা এক ছাতার নিচে থাকবে সেই প্রত্যাশাই করছি।
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);