বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ এখন শুধু চ্যাটের মাধ্যম নয়, বরং ভয়েস ও ভিডিও কল, ফাইল আদান-প্রদান, নোট সংরক্ষণসহ নানা কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যবহারকারীদের সুবিধা বাড়াতে নিয়মিত নতুন ফিচার যুক্ত করছে অ্যাপটির মালিক প্রতিষ্ঠান মেটা। তবে অনেক দরকারি সুবিধা এখনো অনেক ব্যবহারকারীর অজানা।
দৈনন্দিন ব্যবহারে কাজে লাগতে পারে এমন হোয়াটসঅ্যাপের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার সম্পর্কে জেনে নিন।
বন্ধু, পরিবার কিংবা অফিসের গ্রুপে কোনো বিষয়ে দ্রুত সবার মতামত জানতে চাইলে হোয়াটসঅ্যাপের পোল ফিচার ব্যবহার করা যায়। গ্রুপ চ্যাটে গিয়ে অ্যাটাচমেন্ট (পেপার ক্লিপ) আইকনে ট্যাপ করে Poll নির্বাচন করুন। এরপর প্রশ্ন ও সম্ভাব্য উত্তর যোগ করে পাঠিয়ে দিলেই সদস্যরা ভোট দিতে পারবেন এবং ফলাফল দেখা যাবে।
অনেক আগের কোনো গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ খুঁজতে বারবার স্ক্রল করার প্রয়োজন নেই। চ্যাটের Search অপশনে গিয়ে ক্যালেন্ডার আইকনে ট্যাপ করে নির্দিষ্ট তারিখ নির্বাচন করলে সেই দিনের বার্তা দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলাদা করে দেখাতে হোয়াটসঅ্যাপের টেক্সট ফরম্যাটিং সুবিধা ব্যবহার করা যায়। বোল্ড, ইটালিক, স্ট্রাইকথ্রু কিংবা কোড ফরম্যাট ব্যবহার করে বার্তাকে আরও সুন্দর ও স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব।
হোয়াটসঅ্যাপে নিজের নম্বরে মেসেজ পাঠানোর সুবিধা রয়েছে। প্রয়োজনীয় নোট, ছবি, ডকুমেন্ট, ওয়েব লিংক বা ভয়েস নোট সংরক্ষণের জন্য এটি ব্যবহার করা যায়। Search অপশন থেকে নিজের নাম বা ‘Message Yourself’ চ্যাট খুলে তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব।
Linked Devices সুবিধার মাধ্যমে একই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট একাধিক কম্পিউটার বা সমর্থিত ডিভাইসে ব্যবহার করা যায়। ডিভাইস যুক্ত করার পর মূল ফোন সব সময় ইন্টারনেটে সংযুক্ত না থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার চালিয়ে যাওয়া যায়।
কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির মেসেজ আলাদাভাবে শনাক্ত করতে কাস্টম নোটিফিকেশন চালু করা যায়। এজন্য সংশ্লিষ্ট কনট্যাক্টের চ্যাট খুলে নামের ওপর ট্যাপ করুন। এরপর Notifications অপশন থেকে আলাদা রিংটোন বা নোটিফিকেশন টোন নির্বাচন করলে ফোন না দেখেও বোঝা যাবে কার বার্তা এসেছে।
হোয়াটসঅ্যাপের এসব সুবিধা ব্যবহার করলে দৈনন্দিন যোগাযোগ আরও দ্রুত, সহজ ও কার্যকর হয়ে উঠতে পারে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি