চীনের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ চংকিংয়ের পেংশুই জেলায় বড় ভূমিধস হয়েছে। এতে নিহত হয়েছেন ৮ জন এবং এখন পর্যন্ত নিখোঁজ আছেন কমপক্ষে ৩৪ জন।
এছাড়া জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ১৮ জনকে। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১০ (বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা দশ) মিনেটে এই ভূমিধস ঘটে বলে জানিয়েছেন পেংশুই জেলা প্রশাসনের শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা রেন জুজিয়াং।
আজ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ভূমিধসের অল্প সময়ের মধ্যে দুর্যোগ মোকাবিলা বিভাগের উদ্ধারকর্মীরা তৎপরতা শুরু করেন। বর্তমানে ৮০০ কর্মী ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন এবং নিখোঁজদের সন্ধান পেতে এখনও তৎপরতা জারি আছে।
পেংশুইয়ের যে এলাকায় ভূমিধস হয়েছে, সেটি একটি পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকার সড়ক। ভূমিধসের পর ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে চীনা সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সিসিটিভি। সেই ছবিতে দেখা গেছে, ওই এলাকার সড়কের একাংশ মাটি-পাথরের স্তূপে ঢেকে গেছে।
ভূমিধসের পর পর ধূলোবালির মেঘে ঢেকে গিয়েছিল ওই এলাকা। সেই মেঘের ভেতর আতঙ্কিত অবস্থায় চিৎকার-ছোটাছুটি করছিলেন লোকজন। সেই ফুটেজও প্রকাশ করেছে সিসিটিভি।
শুক্রবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে একজন স্থানীয় কর্মকর্তা জানান, যে এলাকায় ভূমিধসটি ঘটেছে সেটি ‘বিপজ্জনক’ খাড়া ভূখণ্ডের জন্য পরিচিত। তিনি আরও বলেন যে, খাড়া পাহাড়ের পাশ বরাবর এখনও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়ে গেছে।
উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনা এবং উপদ্রুত লোকজনকে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের জন্য চীনের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ৫ কোটি ইউয়ান (৭৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার) বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিসিটিভি।
চংকিংয়ে ভূমিধসের মাত্র দু’সপ্তাহেরও কম সময়ের আগে চীনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশে ভূমিধস ঘটেছি। সেই ভূমিধসের পর ১২ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল, নিহত হয়েছিলেন ২১ জন।
সূত্র :আল জাজিরা
রোহান/সা.এ.
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);