বিশ্ব যখন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উত্তেজনায় মগ্ন, তখন গাজার ফুটবল অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসভিত্তিক ক্লাব খাদামাত খান ইউনিসের গোলরক্ষক সেলিম খাদের আল-আশকার।
ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ওয়াফার তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৯ জুন) খান ইউনিসের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আল-কারারা এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৩২ বছর বয়সী আল-আশকার নিহত হন।
ক্লাব পর্যায়ে খাদামাত খান ইউনিসের হয়ে দীর্ঘদিন খেলেছেন আল-আশকার। এছাড়া তিনি আল-আকসা ও আল-মুসাদ্দার স্পোর্টস ক্লাবের হয়েও মাঠে নেমেছেন। স্থানীয় ফুটবল অঙ্গনে একজন অভিজ্ঞ ও পরিচিত গোলরক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি।
ব্যক্তিগত জীবনেও সম্প্রতি নতুন অধ্যায় শুরু করেছিলেন আল-আশকার। মাত্র পাঁচ মাস আগে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তার স্ত্রী বর্তমানে তাদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন। সাত ভাইবোনের মধ্যে পরিবারের একমাত্র ছেলে ছিলেন আল-আশকার। তার মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ফিলিস্তিনের ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় চলমান সংঘাত শুরুর পর এখন পর্যন্ত দেশটির ক্রীড়া অঙ্গনের ১ হাজার ৯ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫৬৭ জনই ফুটবলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।
আল-আশকারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ফিলিস্তিনের ফুটবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তারা সংঘাতের কারণে দেশটির ক্রীড়াঙ্গনে চলমান প্রাণহানিকে গভীর উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
রোহান/সা.এ.
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);