সোমবার (১৫ জুন) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, ইরান যদি তাদের প্রতিশ্রুতির অংশ পূরণ করে, তাহলে উপসাগরীয় জোটের অর্থায়নে গঠিত এই তহবিলে তাদের প্রবেশাধিকার থাকতে পারে।
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের কট্টরপন্থীরা চুক্তি থেকে প্রাপ্ত সুবিধাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরতে পারে, অথচ এর বিনিময়ে দেশটিকে যে ছাড় ও অঙ্গীকার করতে হবে, সেগুলোকে কম গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।
ভ্যান্স জানান, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় উন্মুক্ত থাকলেও ইরানকে ২৪ বিলিয়ন ডলারের জব্দকৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি সম্ভাব্য চুক্তির অংশ নয়। তিনি বলেন, এ ধরনের দাবি চুক্তির খসড়ায় নেই এবং চূড়ান্ত নথি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
ইরান-সংক্রান্ত কঠোর অবস্থানের সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে যে, নতুন কোনো চুক্তির আওতায় তেহরান অতিরিক্ত অর্থনৈতিক সুবিধা পেলে তা দেশটির আঞ্চলিক মিত্র ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা করতে ব্যবহৃত হতে পারে। এর আগে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনের সময় ইরানের কিছু সম্পদ অবমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল।
সোমবার একাধিক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, সম্ভাব্য চুক্তি স্বাক্ষরের পরও অনেক কারিগরি ও বিস্তারিত বিষয় নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানকে কোনো ধরনের অর্থনৈতিক সুবিধা দেওয়া হবে কেবল তখনই, যখন দেশটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা সংগ্রহ না করার অঙ্গীকার বাস্তবে পালন করবে।
ভ্যান্স আরও বলেন, আমরা সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তবে এর চেয়েও বড় বিষয় হলো ইরান যদি দীর্ঘমেয়াদে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে তাদের অর্থনীতির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
সূত্র: সিএনএন।
রোহান/সা.এ.
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);