যশোরের বেনাপোলে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক ব্যবসায়ীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, প্রাণনাশের হুমকি এবং বাড়িতে গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সোহাগ আলী।
শনিবার (৬ জুন) দুপুরে বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকার নিজ ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সোহাগ আলী বলেন, বেনাপোল পোর্ট থানার বড় আচড়া গ্রামের বাসিন্দা হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
তার দাবি, বেনাপোলের ছোট আচড়া গ্রামের মৃত ইসমাইলের ছেলে কুতুব উদ্দীন আশা ও তার ভগ্নিপতি সাইদুর রহমানের কাছে তার ব্যবসায়িক লেনদেনের ৪৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। এ অর্থ আদায় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। প্রায় এক বছর আগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সালিস-মীমাংসা হলেও অভিযুক্তরা টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ৪ জুন কুতুব উদ্দীন আশা মোবাইল ফোনে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। এর পরদিন ৫ জুন বিকেলে কুতুব উদ্দীন আশাসহ ১২ থেকে ১৩ জন সশস্ত্র ব্যক্তি বড় আচড়া এলাকার শেখ মার্কেটে অবস্থিত তার ‘ছুটু রেন্ট এ কার’ প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি করেন। তাকে না পেয়ে প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সামনে হুমকি দিয়ে চলে যান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, একই দিন রাত আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কুতুব উদ্দীন আশার নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তার ভাড়াটিয়া বাড়ির নিচে এসে জড়ো হয়। তারা পিস্তল, লোহার রড, পাইপ, হাতুড়ি ও হকিস্টিকসহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে তাকে ও তার পরিবারকে লক্ষ্য করে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। একপর্যায়ে ঘরের দরজা ও জানালার দিকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এতে ঘরের থাই গ্লাস ভেঙে ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সোহাগ আলী বলেন, ঘটনার পর তিনি বেনাপোল পোর্ট থানায় খবর দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি চালায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুইটি গুলির খোসা ও একটি গুলির অংশবিশেষ উদ্ধার করে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে। এ ঘটনায় তিনি বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন। অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় যে কোনো সময় আবারও হামলার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানিয়েছেন এ ঘটনায় ব্যবসায়ীর বাড়ি পরিদর্শণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশের তদন্ত ও পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);