রুশ যুদ্ধজাহাজে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। এতে জাহাজের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অধিকৃত ক্রিমিয়া অঞ্চলে এ হামলা চালানো হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাতভর ইউক্রেন ও রাশিয়া একে অপরের ওপর হামলা চালিয়েছে। ইউক্রেনীয় ড্রোন কৃষ্ণসাগরীয় বন্দরগুলোতে রুশ স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিইউআর দাবি করেছে, রুশ অধিকৃত ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপোল উপসাগরে দুটি রুশ যুদ্ধজাহাজ এবং একটি রাডার স্টেশনে হামলা চালানো হয়েছে। এতে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের জাহাজগুলোতে সফলভাবে নিশানা করা হয়েছে এবং রাডার সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে।
আল জাজিরা জানিয়েছে, রাশিয়ার তুয়াপসে বন্দরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। আঞ্চলিক গভর্নর ভেনিয়ামিন কনদ্রাতিয়েভ জানান, এতে অন্তত একজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। এ সময় পরিবহন অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গত তিন দিনের মধ্যে বন্দরটি দুদফায় হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। আগের হামলায় সৃষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘটে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাতভর ১১২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে ইউক্রেন জানিয়েছে, রাশিয়া রাতভর কিয়েভ, খারকিভ, খেরসন, সুমি এবং জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে একাধিক হামলা চালিয়েছে।
কিয়েভ অঞ্চলের সামরিক প্রশাসনের প্রধান মাইকোলা কালাশনিক বলেন, আজ রাতে শত্রু আবারও ড্রোন দিয়ে কিয়েভ অঞ্চলে হামলা চালিয়েছে। তাদের লক্ষ্য সাধারণ মানুষ ও বসতবাড়ি।
চার বছরেরও বেশি সময় আগে শুরু হওয়া পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর থেকে মস্কোর বাহিনী প্রায় প্রতিদিনই বেসামরিক এলাকায় হামলা চালাচ্ছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় এখন পর্যন্ত ১৫ হাজারের বেশি ইউক্রেনীয় বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কয়েক দফা আলোচনা হলেও যুদ্ধ বন্ধে কোনো সমঝোতা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ শুরুর পর এ প্রক্রিয়া আরও স্থবির হয়ে পড়েছে।
ইউক্রেন বর্তমান ফ্রন্টলাইন বরাবর যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। তবে রাশিয়া তা প্রত্যাখ্যান করে পুরো দোনেৎস্ক অঞ্চল দখলের দাবি জানিয়েছে। অঞ্চলটির একটি অংশ এখনো ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এটি এখনও মানতে নারাজ কিয়েভ।
সূত্র: আল-জাজিরা।
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);