হরমুজ প্রণালি ঘিরে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে পরিস্থিতি—কখনও উন্মুক্ত ঘোষণা, আবার কখনও সামরিক নিয়ন্ত্রণ ও হামলার ঘটনা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা ও যুদ্ধবিরতির অনিশ্চয়তার মধ্যে এই জলপথ নিয়ে অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি “সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও অবাধ চলাচলের জন্য প্রস্তুত”। একই সময়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইঙ্গিত দেন যে, প্রণালিটি আবারও খুলে দেওয়া হতে পারে।
এই ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ কমে যায়। তবে পরে ইরানি পক্ষের একটি সংবাদমাধ্যম ওই বক্তব্য নিয়ে বিভ্রান্তির অভিযোগ তোলে এবং প্রক্রিয়া ও শর্ত নিয়ে অস্পষ্টতা থাকার কথা জানায়।
পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প জানান, ইরানের বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ “সম্পূর্ণভাবে বহাল থাকবে” যতক্ষণ না একটি চূড়ান্ত সমঝোতা হয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি ঘোষণা দেয় যে, হরমুজ প্রণালি আবারও কঠোর নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
আইআরজিসি সতর্ক করে বলে, “প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়া শত্রুর সহযোগিতা হিসেবে গণ্য হবে এবং যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।” একই সময়ে ওমান উপকূলের কাছে দুটি জাহাজে হামলার খবর পাওয়া যায়, যেখানে ইরানি গানবোট জড়িত ছিল বলে দাবি করা হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ অব্যাহত থাকলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কঠোর সীমাবদ্ধতা থাকবে। একই সঙ্গে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার একটি বক্তব্যে দাবি করা হয়, দেশের নৌবাহিনী শত্রুদের “নতুন পরাজয়ের স্বাদ” দিতে প্রস্তুত।
অন্যদিকে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা “ভালোভাবে এগোচ্ছে”, তবে যুক্তরাষ্ট্র কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না। দুই পক্ষের মধ্যে প্রধান মতবিরোধ এখন পারমাণবিক কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে।
বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকায় পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, চুক্তি না হলে আবারও সামরিক অভিযান ও বিমান হামলা শুরু হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিয়ে এই অস্থিরতা বিশ্ব তেলবাজার এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);