নোয়াখালী জেলায় হাম প্রতিরোধে ব্যাপক টিকাদান কার্যক্রম চালানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এ কার্যক্রমের আওতায় প্রায় ৫ লাখ ৫ হাজার ৩ শত ৫০ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে জেলা সিভিল সার্জন।
শনিবার (১৮ ) বিকালে নোয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা: আনোয়ার হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন আরোও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশের ন্যায় নোয়াখালী জেলায় হাম রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৭৩ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৬১ জন বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে,তবে ঢাকায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) পাঠানো নমুনা পরীক্ষা করে ৮ জন হাম রোগে শনাক্ত হয়েছে।টিকা দেওয়া হবে নোয়াখালী জেলার ৯ উপজেলা, ৮ পৌরসভা, ৯১ টি ইউনিয়ন, ২৭৯ ওয়ার্ড, ১৩৮৫টি স্কুল ১৪৮০ মাদরাসায় পড়ুয়া ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত শিশুদের।মাঠে ২২৪১ জন টিকা প্রদানকারী ৪,৪৮২ জন স্বেচ্ছাসেবীও থাকবে।
সিভিল সার্জন আরোও জানান,হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। তবে সময়মতো টিকা দিলে এটি শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য। আমরা চাই কোনো শিশু যেন টিকার বাইরে না থাকে। তিনি আরও বলেন, জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত এই টিকাদান কার্যক্রম পৌঁছে দিতে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে নোয়াখালী জেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করেছি। সেখানে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। নতুন কোনো রোগী শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় প্রশাসনও এ কার্যক্রমে সহায়তা করছে বলে জানানো হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্কুল ও মাদরাসার অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে সিভিল সার্জন জানান, গুজব বা ভুল তথ্যের প্রতি কান না দিয়ে শিশুদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টিকা নিশ্চিত করতে। অনেক ক্ষেত্রে টিকা নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা থাকার কারণে শিশুরা টিকাবঞ্চিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এবং পৌরসভায় টিকাকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও কমিউনিটি সেন্টারেও টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।এ কার্যক্রম সফল করতে প্রায় ২ হাজারের বেশী স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জেলায় বর্তমানে যেসব রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে, তাদের অধিকাংশের অবস্থাই স্থিতিশীল।নোয়াখালী জেলায় এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশু মারা যায় নি।
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);