বিনোদন অঙ্গনের বহুল আলোচিত “কাস্টিং কাউচ” ইস্যু নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ডেইজি শাহ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে অডিশনের সময় এক নির্মাতার অনৈতিক আচরণের শিকার হয়েছিলেন, যা তাকে অস্বস্তি ও হতবাক অবস্থায় ফেলে দেয়।
ডেইজি শাহ বলেন, ঘটনাটি ঘটেছিল মুম্বাইয়ে, যখন একজন দক্ষিণ ভারতীয় নির্মাতা একটি প্রজেক্টের জন্য কাস্টিং করতে আসেন। ওই অডিশনে তিনি ছাড়াও আরও কয়েকজন তরুণী অংশ নেন। প্রত্যেককে আলাদা করে ডেকে কথা বলছিলেন ওই নির্মাতা।
তিনি জানান, যখন তার পালা আসে এবং তিনি ভেতরে যান, তখন ওই নির্মাতা তার হাত ধরে ফেলেন এবং আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করেন। আচরণটি সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ও অস্বস্তিকর ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। ডেইজির ভাষায়, “আমি তখনই বুঝতে পারি বিষয়টি ঠিক নয়। খুব অস্বস্তি হচ্ছিল, তাই আমি কোনো ঝামেলা না করে সেখান থেকে বেরিয়ে আসি।”
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর তিনি ওই নির্মাতাকে শুধু বলেছিলেন যে পরে জানাবেন, তবে এরপর আর কখনোই যোগাযোগ করেননি।
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ডেইজি শাহ বলেন, তিনি ছোটবেলা থেকেই ব্যক্তিগত স্পর্শ ও শারীরিক সীমারেখা নিয়ে সচেতন। অপরিচিত কারও স্পর্শ তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে নেন না। এমনকি সাধারণ পরিস্থিতিতেও তিনি সতর্ক থাকেন বলে জানান।
তার ভাষায়, “আমি এমনকি নারীদের কাছ থেকেও অস্বস্তিকরভাবে স্পর্শ নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না। সেখানে একজন অচেনা নির্মাতার এমন আচরণ আমাকে পুরোপুরি স্তব্ধ করে দেয়।”
এই ঘটনার পর তিনি আরও সতর্ক হয়েছেন বলে জানান ডেইজি। এখন তিনি একা কোনো অডিশন বা সাক্ষাতে যান না এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন।
সাক্ষাৎকারে তিনি চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচিত মুখদের সহায়তা পাওয়া প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তার মতে, ইন্ডাস্ট্রি একটি নেটওয়ার্কভিত্তিক জায়গা, যেখানে পারস্পরিক সহযোগিতা স্বাভাবিক বিষয়। কেউ কাউকে সাহায্য করলে সেটিকে নেতিবাচকভাবে দেখার প্রয়োজন নেই।
ডেইজি শাহর এই অভিজ্ঞতা সামনে আসার পর আবারও ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে কাস্টিং কাউচ বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অভিনেত্রী এই ইস্যুতে নিজেদের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে আসছেন, যা ইন্ডাস্ট্রির একটি অন্ধকার দিক হিসেবে বিবেচিত।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);