শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ ন্যায়বিচারেই শান্তির সংস্কৃতি: আইরিন খান বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ৮ জানুয়ারি দুষ্টের দমনে কঠোর, শিষ্টের পালনে মানবিক হতে হবে: রাষ্ট্রপতি উল্টোপথে গাড়ি চালানোয় মন্ত্রীর গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিচ্ছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক হামে আরও ৩ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৪৪৪ বেনজীরের অবস্থান জানতে ইন্টারপোলকে পুলিশের চিঠি হরমুজে বাংলাদেশের জাহাজে বাধা নেই: ইরান পুলিশের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বদলি ভোটার স্থানান্তরের আবেদন ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে দেশে বর্তমান জ্বালানি সংকট উত্তরণে ‘পাঁচ দফা কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার ৫৫ বছরের রেকর্ড বিদ্যুৎ ঘাটতি, দায় ‘ভুল নীতি’ ও বৈশ্বিক সংকট এক-এগারো সরকারের সময়ে বর্তমান তারেক রহমানকে অমানসিক নির্যাতন করা হয়েছিল অসুস্থ জ্বালানিমন্ত্রী টুকুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইপিইউ সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপের সৌজন্য সাক্ষাৎ

দেশি-বিদেশি বিষয় নয়, সবাই এক হয়ে খেলে ভারতকে হারাতে চান শমিত

সীমু দা
রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৪৪ পূর্বাহ্ন

নেপালের পর এবার ভারত ম্যাচ সামনে রেখে অনুশীলনে নেমে পড়েছেন হামজা-জামালরা। ১৮ নভেম্বর ঢকায় এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে লড়াইয়ে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় বাংলাদেশ। তবে দলে স্থানীয় ও প্রবাসীদের খেলোয়াড়দের মধ্যে দূরত্বের কথা শোনা যায়। অনেক সময় মাঠেও এর প্রভাব থাকে। এ নিয়ে শনিবার (১৫ নভেম্বর) জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুশীলনের ফাঁকে কানাডা প্রবাসী ফুটবলার শমিত সোম সাংবাদিকদের কাছে নানান ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এ ফুটবলারের কাছে মনে হয়েছে দেশি-বিদেশি বিষয় নয়, সবাই এক হয়ে ভারত ম্যাচ জিততে হবে।

দেশি-বিদেশি ফুটবলার বিষয়ে শমিত বলেছেন, ‘এটা আমি একমত নই। আমাদের টিম হলো এগারো জনের, দেশি-বিদেশি বিষয় না, তাই না? আমরা যেভাবে পারি আমাদের সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে যে ম্যাচটা কীভাবে জিতবো। আর দিনশেষে অভিজ্ঞদের কাছ থেকে শিখতে হবে এইগুলো যেন না হয়। বাট আমরা কোনোদিন চিন্তা করি নাই যে বিদেশের খেলোয়ার ভার্সেস দেশি খেলোয়ার। এভাবে তো বাংলাদেশ জিততে পারবে না। আমাদের সব একসঙ্গে থাকতে হবে।’

ভারত কতটুকু স্ট্রং বাংলাদেশের চেয়ে? কী ধরনের খেলা হতে পারে? জবাবে শমিতের উত্তর, ‘ভারত ভালো দল, আমরাও ভালো দল। এই ম্যাচটার অনেক মিনিং আছে, তাই না? ওই রাইভালরিটা। ভালো কম্পিটিশন হবে, বাট আমরা রেডি থাকবো। আর আশা করি যে আমরা জিততে পারবো।’ 

আগের ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে এগিয়ে থেকেও ড্র করেছে বাংলাদেশ।  এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে কোনও জয় নেই। শমিত বলেছেন, ‘এইটা ফুটবল, এখানে এইগুলা হয়। আর আমাদের ভাগ্যটা আমাদের দিকে যাচ্ছে না। তবে আমাদের ম্যাচে মনোযোগ থাকতে হবে, ফোকাস থাকতে হবে আনটিল ৯০ মিনিট। এটার জন্য আমাদের একটু মনোযোগটা বাড়াতে হবে আর রেডি থাকতে হবে।’

ভারত ম্যাচে মধ্যমাঠ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে। নিজের আত্মবিশ্বাস নিয়ে শমিত জানালেন, ‘হ্যাঁ, কনফিডেন্ট আছি। আই থিঙ্ক পুরা গোল রক্ষক, ডিফেন্স, মিডফিল্ড, স্ট্রাইকার আমরা সব দিক থেকে কনফিডেন্স আছি। যে আমরা ম্যাচটা কন্ট্রোল করতে পারবো, ম্যাচটা জিততে পারবো। ঐ কনফিডেন্সটা আমাদের টিমের সবসময় আছে। আর আমরা দেখতেছি   পাস্ট যে রেজাল্ট পাচ্ছি মানে উইনটা পাচ্ছি না, বাট পারফরম্যান্সগুলো ভালো হচ্ছে। যে উইনিং রেজাল্টটা পাওয়া উচিৎ, আমরা পাচ্ছি না। বাট এবার হোপফুলি আমরা করতে পারবো।’

আপনি আসার পরে দলে কতোটুকু পরিবর্তন দেখতে পেলেন? শমিতের উত্তর, ‘অনেক ইম্প্রুভ হচ্ছে। আমাদের টিম স্পিরিট, আমাদের টিম পাসিং, আমাদের কন্ট্রোল, ম্যাচের কন্ট্রোল ঐটা অনেক বেড়ে গেছে। এগুলা ইম্প্রুভ করছে। এখন মেইন জিনিস হলো উইন করতে হবে, আমি  আসছি, আসার পরে আমি তো জিতি নাই এখনও। ঐটা আমি খুঁজছি, আমাদের পুরা টিম খুঁজছে ম্যাচ উইন করতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি ভুল শুধরে কনফিডেন্স পেতে আর আগামীতে মোমেন্টাম ইউজ করে ম্যাচ জিততে।’ 

ভারত ম্যাচকে সামনে রেখে আমাদের মোটিভেশনটা কী কাজ করবে? শমিত বললেন, ‘মোটিভেশন তো কাজ করবে। বিশাল বড় রাইভালরি ম্যাচ, তাই না? জেতার চাপটা জানি। মনে হয় কোচ আজকে বললো  আমরা ২৩ বছর বোধহয় জিতি নাই এদের সঙ্গে। আমি তো জানিনা।  সবাই জানে এই ম্যাচের অর্থ কী। ইভেন আমি যখন বাংলাদেশের জন্য খেলা শুরু করি, আমার মনে আছে প্রথম দিন আমাকে কেউ একজন বলেছিল ভারত ম্যাচের জন্য রেডি থাকতে। তখন আমাদের প্রতিপক্ষ ছিল সিঙ্গাপুর। তাই এই ম্যাচের কথা আমাদের মাথায় অনেক আগে থেকেই ছিল। আমাদের মোটিভেশনটা আছে যে এই ম্যাচ জিততে হবে আর জিতবো।’

ভারতের ডিফেন্স নিয়ে শমিত ব্যাখ্যা দিলেন এভাবে, ‘ভারতের ডিফেন্স লাইন তো ভালো খেলে, বাট আমি আগে যে বলছি: এদের একটা গ্যাপ থাকে। মিডফিল্ড লাইন ও ব্যাক লাইনের মধ্যে একটা গ্যাপ থাকে, স্পেস থাকে। ওই স্পেস যদি আমরা কাজে লাগাতে পারি তাহলে আমাদের ভালো করা সম্ভব। আমাদের স্ট্রাইকাররা গোল করতে পারবে।  আর ভালো চান্স পাবো স্কোর করতে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Theme Created By