শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ ন্যায়বিচারেই শান্তির সংস্কৃতি: আইরিন খান বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ৮ জানুয়ারি দুষ্টের দমনে কঠোর, শিষ্টের পালনে মানবিক হতে হবে: রাষ্ট্রপতি উল্টোপথে গাড়ি চালানোয় মন্ত্রীর গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিচ্ছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক হামে আরও ৩ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৪৪৪ বেনজীরের অবস্থান জানতে ইন্টারপোলকে পুলিশের চিঠি হরমুজে বাংলাদেশের জাহাজে বাধা নেই: ইরান পুলিশের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বদলি ভোটার স্থানান্তরের আবেদন ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে দেশে বর্তমান জ্বালানি সংকট উত্তরণে ‘পাঁচ দফা কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার ৫৫ বছরের রেকর্ড বিদ্যুৎ ঘাটতি, দায় ‘ভুল নীতি’ ও বৈশ্বিক সংকট এক-এগারো সরকারের সময়ে বর্তমান তারেক রহমানকে অমানসিক নির্যাতন করা হয়েছিল অসুস্থ জ্বালানিমন্ত্রী টুকুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইপিইউ সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপের সৌজন্য সাক্ষাৎ

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বাড়লো ৫৩ হাজার কোটি টাকা

সীমু দা
মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৩০ পূর্বাহ্ন

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চলমান ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৫৩ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়েছে। সোমবার (২৪ নভেম্বর) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই লক্ষ্যমাত্রার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থবছরের শুরুতে এনবিআরের জন্য চার লাখ নিরানব্বই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারিত ছিল। নতুন সমন্বয়ের ফলে এখন বাকি সাত মাসে এনবিআরকে আদায় করতে হবে ৫ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা।

এনবিআরের হালনাগাদ পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা। এ সময়ের লক্ষ্য ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৯৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্য থেকে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ২১৯ কোটি টাকা, যা ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ কম।

গত অর্থবছরের একই সময়ে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ছিল ১৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। চলতি বছর প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক পর্যায়ে থাকলেও লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে ক্রমবর্ধমান ব্যবধান এনবিআরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজস্ব প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ধীরগতি, আমদানি শুল্ক হ্রাস এবং করদাতাদের সম্মতি বাড়াতে এখন বিশেষ উদ্যোগ প্রয়োজন। বাকি সময়ে নতুন লক্ষ্য অর্জন করতে হলে কর ব্যবস্থাপনায় কঠোর নজরদারি, বকেয়া কর আদায় এবং নীতি-সহায়ক পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Theme Created By