ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের আট জেলার ১১টি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ১২৯ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) চেষ্টা করেছে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে বিজিবির কঠোর নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কারণে এসব চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন, বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা এবং প্রচলিত নিয়মের পরিপন্থী কোনো পুশইন প্রচেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নেত্রকোনা, সিলেট, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, জয়পুরহাট, খুলনা ও ঝিনাইদহ জেলার সীমান্ত এলাকায় পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়। বিভিন্ন স্থানে বিএসএফ সীমান্তের কাছে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ একাধিক ব্যক্তিকে জড়ো করলেও বিজিবির সক্রিয় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির কারণে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফ একটি প্রিজন ভ্যানে করে ৩০ থেকে ৩৫ জনকে বাংলাদেশে ঢোকানোর চেষ্টা করে। তবে বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ তাদের সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। খুলনা, জয়পুরহাট, সিলেট ও পঞ্চগড় সীমান্তেও একই ধরনের একাধিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
অন্যদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাঙ্গাবাড়ী সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর ২৮ জন নারী-পুরুষ ও শিশু বর্তমানে শূন্যরেখায় অবস্থান করছে। এদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং ৬ জন শিশু রয়েছে। বিজিবি জানায়, ভোরে সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের শূন্যরেখায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় কোম্পানি কমান্ডার ও সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিজিবি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণ করে ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিজিবি আরও জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি, টহল এবং অপারেশনাল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য যেকোনো পুশইন প্রতিরোধে বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);