শেরপুরে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নে পাওনা ৫ হাজার টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ আনোয়ার মোল্লা (৫০) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম করিম প্রামানিক ওরফে হাদু (৬৫)। তিনি ভবানীপুর ইউনিয়নের বরাইদহ খন্দকারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এই ঘটনায় নিহতের ছেলে শাহাদত প্রামানিক বাদী হয়ে ছয় জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা কয়েক জনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আসামিরা হলেন মোল্লা, হাফিজ মোল্লা, বাবু মোল্লা, মোমিন, সিহাব ও আমিনুর মোল্লার।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহতের বড় ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৩) পেশায় একজন শ্রমিক। তিনি ১নং বিবাদী কাঠ ব্যবসায়ী আনোয়ার মোল্লার অধীনে কাজ করতেন। কাজের মজুরি বাবদ শফিকুল আনোয়ারের কাছে ৫ হাজার টাকা পাওনা ছিলেন। গত ২১ এপ্রিল রাত পৌনে ৯টার দিকে শফিকুল পাওনা টাকা চাইলে আনোয়ার তাকে টাকা দেওয়ার কথা বলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিজ বাড়ির আঙিনায় ডেকে নেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শফিকুল সেখানে পৌঁছালে বিবাদী আনোয়ার মোল্লা ও তার সহযোগীরা তাকে গালিগালাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে আনোয়ারের নির্দেশে হাফিজ মোল্লা গাছের ডাল দিয়ে শফিকুলকে এলোপাথাড়ি মারধর করেন। ছেলের চিৎকার শুনে বাবা করিম প্রামানিক তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে অভিযুক্ত আনোয়ার মোল্লা লোহার শাবল দিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করলে করিম প্রামানিক মাটিতে লুটিয়ে পড়লে বিবাদী বাবু মোল্লা ও হাফিজ মোল্লাসহ অন্যরা তাকে লাঠি ও কাঠের বাটাম দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন।
স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে করিম প্রামানিকের মাথায় পাঁচটি সেলাই দেওয়া হয়। পরদিন ২২ এপ্রিল হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে তিনি বাড়ি আসলে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাকে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত সোয়া ১০টার দিকে সে মারা যায়। নিহতের ছেলে শাহাদত প্রামানিক জানান, বিবাদীগণ পরিকল্পিতভাবে তার পিতাকে আঘাত করে হত্যা করেছে।
শেরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ এসএম মঈনুদ্দিন বলেন, হত্যা মামলা হয়েছে। একজন আটক রয়েছে। মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারে নিকট হস্তান্তর করা হবে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে।
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);