বাংলাদেশ ও ভারতসহ মোট ৫ দেশে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর ফলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে একাধিকবার কম্পন অনুভূত হয়।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ১.৩৯মি. থেকে ভোর ৩.৪১মি. পর্যন্ত অনুভূত হয় কম্পনগুলো। এর মাত্রা ছিল ৪.০ থেকে ৪.৬ এর মধ্যে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, কম্পন অনুভূত হয় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীনে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল সিকিমের নামচি এবং মাঙ্গান এলাকায়, ভূপৃষ্টের ৫ কিলোমিটার গভীরে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, ভারতের কলকাতায় পর্যন্ত কম্পন অনুভূত হয়েছে। ওই অঞ্চলের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তারা কম্পন ও ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন এবং বিভিন্ন বস্তু নড়াচড়া হতে দেখেছেন।
ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সিকিম ও সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ ‘ফল্ট লাইন’-এর ওপর অবস্থিত। বড় কম্পনের পর ছোট ছোট আফটারশক হওয়া স্বাভাবিক। এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারের প্রায় ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান কেঁপে ওঠে।
সূত্র: ইকনোমিক টাইমস।
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);