জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) ও কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ১২ দলীয় প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘দিল্লি হাসিনাকে বাংলাদেশে এজেন্ট নিয়োগ করেছিল। বাংলাদেশটাকে সাবকন্টিনেন্ট হিসেবে, একটি কলোনিয়াল স্ট্রেট হিসেবে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ভারত পরিচালনা করেছে। আমরা চাই না বাংলাদেশ আবার তার অতীতে ফিরে যাক। বাংলাদেশ কে পরিচালনা করবে, কে সরকার গঠন করবে, কে মসনদে বসবে তা বাংলাদেশের জনগণই নির্ধারণ করে দেবে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রার অংশ হিসেবে এক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ব্যালটে সিল দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠা করা পুলিশ কিংবা প্রশাসনের কাজ নয়। প্রশাসনের কাজ হচ্ছে জনগণ যাতে নির্ভয়ে নিজের ভোটটা দিতে পারেন। প্রশাসন ও পুলিশ বিগত তিনটি ইলেকশনে যে ভূমিকা রেখেছে, আমরা আশা করি ওই ইলেকশনগুলো থেকে তারা শিক্ষাগ্রহণ করবে।
তিনি বলেন, ‘তারা (প্রশাসন ও পুলিশ) ব্যালটে সিল দিয়ে অনেককে সরকার বানিয়েছে, এ সরকার কি টিকতে পারছে? পুলিশ ও প্রশাসন নগ্নভাবে হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখার জন্য নির্বাচন ব্যবস্থাকে কলুষিত করেছে। পুলিশ ও প্রশাসনের কাজ হচ্ছে, জনগণ যাতে নির্ভয়ে নিজের ভোট নিজে দিতে পারে সে দায়িত্ব পালন করা। আপনারা নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালন করুন, জনগণ আপনাদের মাথায় তুলে রাখবে, আর না হয় বেনজীর ও হারুনের পরিণতি বরণ করতে হবে।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশ দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে। একটা পক্ষ চায় গোলামি আর একটা পক্ষ চায় আজাদি। একটা পক্ষ চায় ভারতের তাঁবেদারি আর একটা পক্ষ চায় বাংলাদেশের স্বনির্ভরতা। একটা পক্ষ চায় স্বাধীনতা আরেকটা পক্ষ চায় পরাধীনতা।’
তিনি আরো বলেন, ‘একটি পক্ষ চাঁদাবাজদের পক্ষ অবলম্বন করেছে, ভারতীয় গুন্ডামির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, মাফিয়াদের পক্ষ অবস্থান নিয়েছে। ২০০৯ সালের পর গণতন্ত্রের জন্য যারা রক্ত, শ্রম-ঘাম ও রাজপথে রক্ত দিয়েছে, তাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে কতিপয় রাজনৈতিক দল আবার ভারতীয় তাঁবেদারি শুরু করার পাঁয়তারা করছে। আমাদের ভাইদের আগুন সন্ত্রাসী হিসেবে মিডিয়াতে প্রচার করেছে। আজকে দেখতে পাচ্ছি অনেকেই তাদের বুকে টেনে নিচ্ছে।’
দেবীদ্বার পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি ক্বারি মো. অলিউল্লাহর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. শরীফুল ইসলাম, পৌর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ডা. গোলাম জিলানী, জামায়াতের ইউনিয়ন আমির মাও. মো. হোসাইন, মো. আবু ইউসুফ মেম্বারসহ জামায়াত ও এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);