চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী প্রচারণায় ককটেল হামলার অভিযোগটি সত্য নয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
মঙ্গলবার দিনভর ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বোয়ালখালীস্থ সেনাবাহিনী ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর মো. রাসেল।
সেনাবাহিনীর তদন্ত দলের মতে, ককটেল বিস্ফোরণ হলে সেখানে নির্দিষ্ট কিছু আলামত বা ‘আফটার শক’ থাকে, যার কোনো অস্তিত্ব ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের বক্তব্য এবং শব্দের তীব্রতা বিশ্লেষণ করে সেনাবাহিনী নিশ্চিত হয়েছে যে, সেটি মূলত আতশবাজি বা ‘চকলেট বাজি’র শব্দ ছিল।
মেজর মো. রাসেল জানান, “আমরা ঘটনাস্থলে ককটেল হামলার কোনো প্রমাণ পাইনি। চারটি সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে দেখা গেছে, প্রচারণা চলাকালে অত্যন্ত স্বল্প মাত্রার একটি আতশবাজি সদৃশ শব্দ হয়েছে।”
এর আগে এই ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে এক জামায়াত কর্মীকে অভিযুক্ত করা হলেও তদন্তে তাকে নির্দোষ পাওয়া গেছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিস্ফোরণের শব্দের সময় ওই ব্যক্তি পাশের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। শব্দ শুনে তিনিও উৎসুক জনতা হিসেবে সেখানে ছুটে যান।
মেজর রাসেল বলেন, “ঘটনার সময় এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়েছে, যাকে বিএনপি বা জামায়াত- কোনো পক্ষের নেতারাই চিনতে পারেননি। তবে এটি পরিষ্কার, যে ব্যক্তি বা সংঘটনটির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, তারা কোনোভাবেই এর সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।”
গত সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার পূর্ব কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে প্রচারণার সময় ককটেল হামলার অভিযোগ তোলেন বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আজিজুল হক।
চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির এরশাদ উল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে আছেন ১১ দলীয় জোটের এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল ইসলাম আরিফ এবং জামায়াত সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ আরও কয়েকজন।
সালাউদ্দিন/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);