বগুড়ার শেরপুরে বাঁশের কোড়ল (অঙ্কুর) ভাঙার অপবাদ দিয়ে হযরত আলী (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার চাচাতো ভাই ও ভাতিজার বিরুদ্ধে।
গত মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের বেলঘড়িয়া পূর্বপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। নিহত হযরত আলী বেলঘড়িয়া পূর্বপাড়া গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মূল আসামি আব্দুর রহিমকে (৪৫) রাতেই আটক করেছে শেরপুর থানা পুলিশ। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে হযরত আলী মাঠের কাজ শেষ করে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল।
এ সময় তার চাচাতো ভাই মৃত রইসুদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহিম ও তার ছেলে নাঈম ইসলামের বাঁশবাগান থেকে বাঁশের কোড়ল ভাঙার অভিযোগ তোলেন হযরত আলীর বিরুদ্ধে। পরে রহিম ও তার ছেলে নাঈম তাকে ঘর থেকে ডেকে বের করে। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাঁশ ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। বাধা দিতে গেলে হযরত আলীর স্ত্রীকেও মারধর করে। প্রত্যক্ষদর্শী মাকসুদা আক্তার মিম ও ফারুক বলেন, রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা হযরত আলীকে উদ্ধার করে দ্রুত বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যায়। হ
ত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালায়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত আব্দুর রহিমকে আটক করে। তবে ঘটনার পর থেকে তার ছেলে নাঈম পলাতক রয়েছে।
শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত আব্দুর রহিমকে আটক করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শজিমেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং বাকি আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর পুরো বেলঘড়িয়া গ্রাম জুড়ে শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসী এই নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও অপরাধীদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);