পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, পাহাড়ের সকল জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ অঞ্চল গড়ে তোলাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
সোমবার দুপুরে খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
খাগড়াছড়িতে প্রথম সফরে এসে মন্ত্রী স্থানীয়দের কাছ থেকে বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন চাহিদার বিষয়ে সরাসরি মতামত গ্রহণ করেন এবং সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে পার্বত্য এলাকার জনগণ সরকারের প্রতি যে আস্থা প্রকাশ করেছে, তা উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সহায়ক হবে। তিনি জানান, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে খাগড়াছড়িতে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ সহজ করতে আধুনিক হিমাগার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পর্যটন খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সাজেক ভ্যালি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সড়ক সম্প্রসারণ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা পর্যটন শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর করতে শিগগিরই তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স এবং পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ড পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী। এর ফলে উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়বে এবং বাস্তবায়ন আরও ত্বরান্বিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সভায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের ২০৩ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক, জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, মং সার্কেলের প্রধান সাচিংপ্রু চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় অংশগ্রহণকারীরা পার্বত্য অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);