নোয়াখালী জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গেল দুই সপ্তাহে জেলায় শিশুরা হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ২১ জন শিশু ভর্তি রয়েছে এবং নতুন রোগী প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি, তবে বিভিন্ন বয়সি রোগীও রয়েছেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন ডা.আনোয়ার হোসেন।। হামের লক্ষণ হিসেবে জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে ফুসকুড়ি দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও অপুষ্টির কারণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলেও জানান তিনি।নোয়াখালী জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।সাম্প্রতিক সময়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে হামের রোগী শনাক্ত হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শিশুদের মধ্যে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত শিশুদের আগে টিকা দেওয়া হয়নি, যা সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২১ জন রোগী ভর্তি আছে।তিনি আরও জানান,জেলায় হামে আক্রান্ত রোগীদের আলাদা রাখার ব্যবস্থা রাখা শিশুদের নিয়মিত টিকা কার্যক্রম জোরদার করার জন্য সরকারী হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গেল কয়েকদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় জ্বরের সঙ্গে শরীরে লালচে দানা বা র্যাশ নিয়ে রোগীরা হাসপাতালে আসতে শুরু করেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তাদের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। বর্তমানে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আক্রান্তদের আলাদা আইসোলেশনে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);