ইন্দোনেশিয়ায় দুই ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩৮ জন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দেশটির স্থানীয় সময় সকালে রাজধানী জাকার্তার উপকষ্ঠে বেকাসি তিমুর স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর বিবিসির।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় স্টেশনে একটি কমিউটার ট্রেন যাত্রী নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। লাইনের সংকেত পেয়ে ট্রেনটি ছাড়ার অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু সেই লাইনে হঠাৎ করে পেছন থেকে দ্রুতগতিতে ছুটে আসে আরেকটি দূরপাল্লার ট্রেন। চালক কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভয়াবহ সংঘর্ষটি ঘটে। দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের পেছনের বগিগুলো দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
সংঘর্ষের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে ট্রেনটির যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় মানুষজন এবং উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে যাত্রীদের বের করে আনার চেষ্টা করেন। প্রাথমিকভাবে চারজনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। আহতদের আর্তনাদে চারপাশ ভারী হয়ে ওঠে। আহত ৩৮ জনকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রেল পরিচালনাকারী সংস্থা কেএআই-এর মুখপাত্র অ্যান পুরবা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তারা এই ঘটনার পরপরই উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছেন। আহতদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি চালকের ভুল, তা নিশ্চিত হতে আরও সময়ের প্রয়োজন।
এই ঘটনায় দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান ইন্দোনেশিয়ার প্রতিনিধি পরিষদের ডেপুটি স্পিকার সুফমি দাসকো আহমাদ। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি গণমাধ্যমের সামনে নিজের উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি আশঙ্কা করেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকা পড়ে থাকতে পারে, যার ফলে নিহতের সংখ্যা সামনে আরও বাড়তে পারে।
তিনি বলেন, এমন একটি দুর্ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উদ্ধার কাজ চালানো হচ্ছে। যারা আহত হয়েছেন, তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্থানীয় হাসপাতালগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো কিছুই চূড়ান্তভাবে বলা সম্ভব নয় বলে তিনি জানিয়েছেন।
সালাউদ্দিন/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);