দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার টরকী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের মাঝখানে বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় চরম ঝুঁকির মধ্যে চলাচল করছে যানবাহন।
দুর্ঘটনা এড়াতে স্থানীয় বাসিন্দারা গর্তের স্থানে বাঁশ পুঁতে বিপদসংকেত স্থাপন করেছেন এবং দূরপাল্লার পরিবহনসহ অন্যান্য যানবাহনের চালকদের সতর্ক করছেন। তবে মহাসড়কের এমন বেহাল অবস্থার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা, যাত্রী ও পরিবহন চালকদের অভিযোগ, সম্প্রতি কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে টরকী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের মাঝখানে তৈরি হওয়া গর্তটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। রাতের অন্ধকারে কিংবা বৃষ্টির সময় গর্তটি শনাক্ত করা কঠিন হওয়ায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
চালকদের দাবি, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে সড়ক সংস্কার কাজ করায় অল্প বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গৌরনদী উপজেলার ভুরঘাটা, বাথী, টরকী বাসস্ট্যান্ড, গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড, আশোকাঠী, কাশেমাবাদ, মাহিলাড়া ও বাটাজোরসহ বরিশাল সদর পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙাচোরা ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও যাত্রীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
শ্যামলী পরিবহনের চালক হুমায়ুন কবির বলেন, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত থাকায় স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চালানো সম্ভব হচ্ছে না। হঠাৎ গর্ত সামনে চলে এলে ব্রেক করতে গিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়। আবার ধীরগতিতে চলাচলের কারণে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।
মাহিন্দ্রচালক আজিজুল ইসলাম বলেন, “সড়ক ভাঙা থাকার কারণে যাত্রীরা প্রচণ্ড ঝাঁকুনির শিকার হচ্ছেন। অনেক সময় ছোট যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ার আশঙ্কা থাকে। দ্রুত সড়ক সংস্কার না করা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
যাত্রীরাও মহাসড়কের বেহাল অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত থাকলেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। বর্ষা মৌসুমে সড়কের ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যাওয়ায় যাতায়াতে ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, টরকী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তৈরি হওয়া গর্তটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে যে কোনো সময় প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। তাই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তারা নিজ উদ্যোগে বাঁশ পুঁতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছেন।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ না করায় কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা, যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা দ্রুত মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো মেরামত করে নিরাপদ যান চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);