দেশ স্বাধীনের ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও সরকারি ডাক বিভাগের ইডি কর্মচারীরা রয়ে গেছেন অবহেলিত। মাত্র ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৪৬০ টাকা নামমাত্র ভাতার বিনিময়ে খাটুনি খেটে চলা এই কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
ন্যায্য দাবি আদায়ে গত ৬ জুলাই থেকে ঝিনাইদহসহ সারাদেশে বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে স্বীকৃতির পাওয়ার জন্য এই আন্দোলন করে যাচ্ছে তারা।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে তাদের এই পূর্ণ কর্মবিরতি ও ধর্মঘট কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। ইতিমধ্যে ইডি কর্মচারীরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর বরবার স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।
আন্দোলনরত গোপালপুর শাখা পোষ্টমাস্টার রিপন হোসেন জানান, ঝিনাইদহে ১০৪ টি শাখা ডাকঘরে প্রায় ৩০০ জন ইডি কর্মচারী কর্মরত আছেন। সারা বাংলাদেশে ৮ হাজার ৫৪৩টি ডাকঘরে মোট ২৩ হাজার ২১ জন ইডি কর্মচারী রয়েছেন। যারা দীর্ঘদিন ধরে চরম বৈষম্যের শিকার। আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালে তৎকালীন সরকার ভাতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বিগত ৮ বছরেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। নেই কোনো উৎসব ভাতা বা ঈদ বোনাস। বর্তমান সময়ে ইডি কর্মচারীদের জীবন জীবিকার মান উন্নয়নে এই সামান্য আয়ে সংসার চালানো তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
ডাকবিভাগে সেবা নিতে আসা মিজানুর রহমান বলেন, কয়েক দিন ধরে পোষ্ট অফিসে ঘুরছি চাকুরি কিছু গুরুত্বপূর্ন কাগজ আসার কথা। কিন্তু পোষ্ট অফিস বলছে তারা কোন কাজ করছে না, কর্মবিরতিতে আছি। সময়ের মধ্যে চিঠি না পেলে আমার মহাবিপদ হয়ে যাবে।
বর্তমানে একজন ইডি শাখা পোস্টমাস্টার ৪ হাজার ৪৬০ টাকা, ইডিডিএ পিয়ন ৪ হাজার ৩৫৪ টাকা, ইডিএমসি রানার ৪ হাজার ১৭৭ টাকা এবং ইডি নাইট গার্ড ৪ হাজার টাকা ভাতা পেয়ে থাকেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝিনাইদহ প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টার রিয়াজুল ইসলাম বলেন, গ্রামীণ জনপদে ডাকসেবা শতভাগ পৌছিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। জমির পড়চা, নিয়োগপত্র, তালাক সহ জরুরী কাগজপত্র পৌছিয়ে দেওয়ার চেষ্ঠা করছি। ইডি কর্মচারীদের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবগত আছেন। তাদের দাবিগুলোর বিষয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত আসার অপেক্ষায় রয়েছি।
বাপ্পি/সা.এ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);