২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণআন্দোলনে পঞ্চগড়ের শহীদ সাগরের পিতা রবিউল ইসলাম ক্ষতি বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে হবে ধানের শীষ প্রতীকে। শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মর্যাদা দিতে জনগণকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের রত্নিবাড়ী বাজারে ধানের শীষের পক্ষে পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমিরের পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি জুলাই আন্দোলনে নিহত সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং বলেন, আমার ছেলে সাগর কোনো ব্যক্তি বা দলের জন্য জীবন দেয়নি, সে জীবন দিয়েছে দেশের মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। আজ সেই অধিকার আবার হুমকির মুখে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারছে না, নির্বাচন মানেই এখন আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং গণতন্ত্রকামী শক্তির পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। শহীদ সাগরের পিতা বলেন, যদি শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি না করতে চাই, তাহলে ধানের শীষেই ভোট দিতে হবে।
পথসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদরা আমাদের কাছে একটি ঋণ রেখে গেছেন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঋণ। এই ঋণ শোধ করতে হলে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। পঞ্চগড়ের মানুষ যদি ধানের শীষে ভোট দেন, তাহলে শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষা হবে এবং বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে ফিরবে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ সাগরের মতো তরুণদের আত্মত্যাগ আমাদের লড়াইয়ের শক্তি। এই দেশ আর কোনো ফ্যাসিবাদী শাসন মেনে নেবে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদরা দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ দেখিয়েছেন। তারা বলেন, শহীদ সাগরের আত্মত্যাগ পঞ্চগড়বাসী কখনো ভুলবে না। আন্দোলনের চেতনা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।
পথসভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, ছাত্রসমাজ, সাধারণ মানুষ এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);