ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করেছেন শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ। তবে এটি তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত বক্তব্য দাবি করে মানববন্ধনে উপস্থিত অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রক্টরের পদত্যাগের বিষয়ে দ্বিমত প্রকাশ করেছেন।
সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন চত্বরে শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে অংশ নেন। এসময় আগামীকাল বিকাল ৪টার মধ্যে সকল ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের পদত্যাগের দাবি জানান ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ। এর মধ্যে প্রক্টরকে অপসারণ করা না হলে বুধবার উপাচার্য কার্যালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
এসময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, “সাজিদ হত্যার পর সিআইডি ও বিভিন্ন তদন্ত কমিটি কাজ করছে বলা হলেও আজ পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। আগামীকাল বিকাল ৪টার মধ্যে সকল ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে প্রক্টর ড. শাহীনুজ্জামানকে পদত্যাগ করতে হবে। যদি তিনি পদত্যাগ না করেন তাহলে প্রশাসন কর্তৃক তাঁকে অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় বুধবার বেলা ১১টায় আমরা ভিসি কার্যালয় ঘেরাও করবো।”
ইবি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক সহ-সমন্বয়ক তানভীর মাহমুদ মন্ডল বলেন, “ছাত্রদলের আহ্বায়ক যে বক্তব্য দিয়েছেন, এটার সাথে আমরা একমত নই। এটা ছাত্রদলের বক্তব্য, আমাদের নয়। আমি ব্যক্তিগত তাড়না থেকে সাজিদ হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনে গিয়েছি, তবে আয়োজক কারা জানি না।”
এদিকে প্রক্টরের পদত্যাগের বিষয়টি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয় উল্লেখ করে সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর স্যারের পদত্যাগের আলটিমেটাম ইবি ছাত্রদলের কোনো সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয়।”
শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, “প্রক্টরের পদত্যাগের দাবি একান্তই ছাত্রদল আহ্বায়কের ব্যক্তিগত। আমরা এই দাবির সঙ্গে একমত না। আমরা সাজিদ হত্যার বিচার চাই। কোন অদৃশ্যবলে বিচার আটকে আছে, তার উদঘাটন চাই।”
মানববন্ধনের আয়োজক বোরহান উদ্দিন বলেন, “আমি প্রক্টরের পদত্যাগের দাবির সঙ্গে একমত না। শুধু প্রক্টরের পদত্যাগ চেয়ে লাভ নাই, চাইলে পুরো প্রশাসনের পদত্যাগ চাইতে হবে। তাছাড়া আজকে আমাকে প্রোগ্রামের আয়োজক হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। তবে আমি প্রোগ্রামের আয়োজক ছিলাম না, আমি শুধু প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছি।”
প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, “ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহের সিসি ক্যামেরা মনিটরিং সিস্টেম আইসিটি সেল থেকে প্রক্টর অফিসে স্থাপনের বিষয়ে ১৫ জুলাই চিঠি ইস্যু করা হলেও আমরা চিঠি পেয়েছি ১৮ জুলাই। এছাড়া এখনো আইসিটি সেল মনিটরিং সিস্টেম প্রক্টর অফিসকে বুঝিয়ে দেয়নি। হলের সিসিটিভি ফুটেজ গায়েবের দায় হল প্রভোস্টের। সাজিদ ইস্যুতে সিআইডিকে আমার দপ্তর থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হচ্ছে। আমি সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করছি। শিক্ষার্থীরা যেদিন চাইবে না, এক মুহূর্তও আমি এ পদে থাকব না।”
সালাউদ্দিন/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);