গাজীপুরের কালীগঞ্জে অবৈধভাবে কৃষি জমি ভরাট এবং মাদক সেবনের দায়ে ৫টি পৃথক মামলায় এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডসহ চারজনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (১৫ জুলাই) উপজেলার নাগরী, মোক্তারপুর ও তিরিয়া এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরোয়ার লিমা। আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের পানজোড়া এলাকায় অনুমতি ব্যতীত কৃষি জমিতে বালু ভরাট করে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করার অপরাধে রিয়াজুল ইসলাম মোখলেছ (৩৮) নামের এক ব্যক্তিকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি ওই এলাকার মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় তাকে এই অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
একই অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় ৪টি পৃথক মামলায় চার মাদকসেবীকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—উপজেলার দক্ষিণ খলাপাড়া এলাকার মহিউদ্দিনের ছেলে মেহেদী হাসান (১৮), বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার সাকাসিরি এলাকার গিয়াস হাওলাদারের ছেলে রাকিব হাওলাদার (২৮), পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জের সোনা পাতা এলাকার জয়নাল আবেদীনের ছেলে মো. ইসরাফিল (২২) এবং কালীগঞ্জ উপজেলার মোক্তারপুর ইউনিয়নের সাওরাইদ এলাকার মোবারক হোসেনের ছেলে আশরাফ হোসেন সেতু (২৭)। সাজা প্রদানের পর তাদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরোয়ার লিমা বলেন, “কৃষি জমি আমাদের জাতীয় সম্পদ। সরকারি অনুমতি ছাড়া ফসলি জমির শ্রেণি পরিবর্তন বা অবৈধভাবে বালু ভরাটকরা আইনের দৃষ্টিতে দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা কৃষিজমি রক্ষায় বদ্ধপরিকর। এছাড়া মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে মাদকসেবী ও কারবারিদের বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের ঝটিকা অভিযান আগামীতেও নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।”
অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হায়াত্তুর রহমান। আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন বেঞ্চ সহকারী মাহবুবুল ইসলাম। ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই অভিযানে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
এদিকে মাদকমুক্ত ও অপরাধমুক্ত উপজেলা গড়তে প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহল।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);