চলমান যুদ্ধের শুরুর দিকে নিহত হয়েছেন এমন ব্যাপক গুঞ্জনকে ভুল প্রমাণ করে ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে আকস্মিকভাবে উপস্থিত হয়েছেন। তেহরানের রাজপথে কালো পোশাকে শোকমিছিলে অংশ নেওয়া লাখো মানুষের সঙ্গে তাকে সশরীরে দেখা যায়।
সোমবার (৬ জুলাই) প্রকাশিত দ্য টেলিগ্রাফের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আহমাদিনেজাদকে যুদ্ধের প্রথম দিনেই নিহত বলে দাবি করেছিল দেশটির কয়েকটি রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই দিন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের একটি বড় অংশ নিহত হন। একই সময়ে আহমাদিনেজাদের বাসভবনের কাছেও একটি রকেট আঘাত হানায় তার মৃত্যুর খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
হামলার পর কয়েক মাস ধরে আহমাদিনেজাদ জনসমক্ষে আসেননি। এ সময় তার পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতিও প্রকাশিত হয়নি। এমনকি তেহরানের সরকারি কোনো দপ্তর থেকেও তিনি জীবিত না মৃত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ফলে বিষয়টি যুদ্ধের শুরুর দিকের অন্যতম আলোচিত রহস্যে পরিণত হয়।
অবশেষে গত সোমবার তেহরানে খামেনির কফিনযাত্রায় সাধারণ একটি জ্যাকেট পরিহিত এবং থুতনির নিচে নামানো মাস্ক পরে জনসমক্ষে দেখা দেন আহমাদিনেজাদ। এর আগের দিন ইরানের অপর দুই জীবিত সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ও হাসান রুহানি শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত ছিলেন না। সমালোচকদের দাবি, তাদের রাষ্ট্রীয় এ আয়োজনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
বিশাল জনসমাগমে বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচিকেও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শোকমিছিলে অংশ নিতে দেখা যায়। প্রবল ভিড় এড়িয়ে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছাতে তিনি মোটরসাইকেলের পেছনে চড়ে যাত্রা করেন।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);