সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় শহীদ মিয়া (৩৫) নামে এক চুরকে গনধৌলাই দেয়ার পরে ওই চুরের বাড়িতে ভাংচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। আগুনে লাগার খবরে পেয়ে বিশ্বম্ভরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও বেশির ভাগ জিনিস পত্র আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
রবিবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের পাখিজান গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে।
শহীদ মিয়া ওই গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে। তার বাড়িতে ভাংচুর ও আগুনের ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও শহীদকে গনধৌলাই দেয়ার গুরুত্বর আহত হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,দীর্ঘদিন ধরে শহীদ মিয়া এলাকায় মাদক ও চুরির সাথে জড়িত রয়েছে। এসব কারনে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলার আছে তার বিরুদ্ধে। উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের দীঘিরপার দাখিল মাদ্রাসা থেকে দুটি ব্যাটারী ও একটি সাউন্ড বক্স চুরি করে নিয়ে যায় শহীদ মিয়া। তা দেখে ফেলে স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে তার বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায় ও ব্যাটারী, সাউন্ড বক্স উদ্ধার করে। এ সময় শহীদকে বাড়িতে পেয়ে গনধৌলাই দেয়। পরে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। এর আগেই বাড়িতে থাকা শহীদের পরিবারের সদস্যদের বের করে দেয় উত্তেজিত জনতা। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে। এদিকে গনধৌলাই গুরুত্ব আহত হয়েছে শহীদ মিয়া। তাকে পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে পুলিশ।
বিশ্বম্ভরপুর থানা তদন্ত ওলী আশরাফ খান জানান,মাদ্রাসার চুরির ঘটনায় এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে শহীদ মিয়ার বাড়ির গেলে খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে, গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। চুরির ঘটনায় ওই মাদ্রাসা সুপার মতিউর রহমান বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।