ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) যুদ্ধ সমাপ্তি-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক ও আলোচনার অগ্রগতি বিষয়ে ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতার বার্তার পর এক প্রতিক্রিয়ামূলক বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ইরানের জনগণ ও ইসলামি যোদ্ধারা দেশের রাষ্ট্রনেতাদের পাশে পাহাড়সম দৃঢ় সমর্থন হিসেবে রয়েছে।
পার্সটুডে ইরানের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) শুক্রবার ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতার সাম্প্রতিক বার্তার জবাবে এক বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হজরত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনেয়ী (দামা জিল্লুহু)-এর পবিত্র সমীপে—
আসসালামু আলাইকুম
হে আল্লাহ, মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইত-এর ওপর দয়া বর্ষণ করুন এবং তাঁদের আগমনের সময়কে ত্বরান্বিত করুন।
আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যিনি আবারও তাঁর অনুগ্রহের স্বচ্ছ উৎস থেকে আমাদের জাতিকে সিক্ত করেছেন এবং আপনার সম্মানিত বার্তা ও আলোকিত দিকনির্দেশনার মাধ্যমে আমাদের দৃষ্টিকে উজ্জ্বল করেছেন। এটি এমন এক প্রজ্ঞাপূর্ণ ও গভীর বার্তা, যা জনগণের ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করেছে, জনগণকে ময়দানে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করেছে এবং রণাঙ্গনের যোদ্ধাদের তাদের বিজয়ী অর্জন সংরক্ষণের বিষয়ে নতুন করে আশাবাদী করেছে। একইসঙ্গে এটি জাতীয় অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য এক মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদে পরিণত হয়েছে।
বর্তমান বাস্তবতায়, যখন আগ্রাসী শত্রুপক্ষ ইরানি জাতির ইতিহাস-গঠনকারী সংগ্রাম এবং রণাঙ্গনে ইসলামি যোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ ও মহাকাব্যিক সাফল্যের মুখে পরাজয় মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে, এবং ইরানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার কিংবা দেশকে পূর্ববর্তী যুগে ফিরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য থেকে সরে এসে এখন সমঝোতা ও আলোচনার জন্য অনুরোধের অবস্থানে নেমে এসেছে—এমনকি বলা যায়, তারা জাতির মহত্ত্বের সামনে নতজানু হয়েছে—তখন সমগ্র জাতি ও যোদ্ধাদের প্রত্যাশা হলো, রাজনৈতিক অঙ্গনও যেন সেই গৌরবময় রণক্ষেত্রেরই ধারাবাহিকতা হয় এবং তা গর্বিত ইরানি জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে অগ্রসর হয়।
প্রিয় জাতি এবং ইসলামি যোদ্ধারা তাদের রাষ্ট্রনেতাদের জন্য এক অটল ও সুদৃঢ় পর্বতের মতো সমর্থন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। আর যদি বিশ্বাসঘাতক শত্রুপক্ষ অতীতের মতো আবারও সীমালঙ্ঘন করে এবং ইরানি জাতির অধিকার লঙ্ঘনের চেষ্টা করে, তবে স্থল, সমুদ্র, আকাশসহ সব ধরনের যুদ্ধক্ষেত্রে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) অতীতের চেয়েও অধিক শক্তিশালী অবস্থানে থেকে, বিভিন্ন যুদ্ধের অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে, সেই সাহসী ও প্রজ্ঞাবান সেনাপতির সামান্যতম ইশারাতেই তাদের ওপর আরও বড় ও ঐতিহাসিক পরাজয় চাপিয়ে দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
নাসরুম মিনাল্লাহি ওয়া ফাতহুন কারীব” (আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য এবং অতি নিকটবর্তী বিজয়।)
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী( আইআরজিসি)
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);