পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ যেকোনো উপায়ে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ ঠেকাতে নিজের নামে মামলা করিয়েছেন—এমন দাবি দুবাইয়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে। সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, তার ঘনিষ্ঠ একজন ব্যক্তি আর্থিক বিষয়সংক্রান্ত অভিযোগ তুলে বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেছেন। দেশের একটি গণমাধ্যমে এমন খবর প্রকাশ পেয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বেনজীর আহমেদের আইনগত বিষয় দেখভালের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি তা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা নেই এবং এমন কোনো কৌশলগত মামলা করানোর বিষয়ও তার জানা নেই।
সূত্রমতে, বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়া জোরদার করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি ইন্টারপোলসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে কাজ করছেন।
এদিকে দুবাইয়ের একটি ব্যবসায়িক সূত্র দাবি করেছে, প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া বিলম্বিত বা জটিল করার উদ্দেশ্যে নতুন আইনি কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। ওই সূত্রের দাবি অনুযায়ী, আর্থিক ও সম্পত্তি সংক্রান্ত একটি দেওয়ানি মামলা দাখিল করা হয়েছে, যা স্থানীয় আইনের আওতায় প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক প্রত্যর্পণ ব্যবস্থায় অনেক সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা স্থানীয় আদালতে বিভিন্ন ধরনের আবেদন, মামলা বা আইনি প্রতিরক্ষা গ্রহণ করে থাকেন। এর মাধ্যমে তারা জামিন, গ্রেপ্তারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ কিংবা প্রত্যর্পণ কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিচারিক সুরক্ষা চাইতে পারেন। এসব পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনে অস্বাভাবিক নয় বলেও তারা উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ মনে করেন, কোনো অভিযোগ বা গুঞ্জনকে আদালতের যাচাই করা তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক নয়। তাদের মতে, এ ধরনের বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে আদালতের নথি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্য অপরিহার্য।
বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে বেনজীর আহমেদকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি নথি সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ সংশ্লিষ্ট দেশের বিচারিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);