জনগুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম বরিশালের গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ড-বন্দর সড়কের বেশ কয়েকটি অংশে খানাখন্দসহ ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে বৃষ্টির পানিজমে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচলে সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পরেছে।
প্রতিনিয়ত খানাখন্দের অংশে দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। ফলে জনসাধারণের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভূক্তভোগীরা জরুরি ভিত্তিতে খানাখন্দের অংশটুকু সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সূত্রমতে, গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ড ও বন্দরের মধ্যবর্তী এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত গোটা উপজেলাবাসীকে উপজেলা পরিষদ, প্রথম শ্রেনীর পৌরভবন, থানা কমপ্লেক্স, পশু হাসপাতাল, পল্লী বিদ্যুত অফিস, খাদ্য গুদাম, বিভিন্ন ব্যাংকের শাখা অফিস, সু-বিশাল একাধিক মার্কেটসহ ঐতিহ্যবাহী ব্যবসায়ীক গৌরনদী বন্দর ও দূরদূরান্তে যাতায়াতের জন্য গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ডে যেতে হচ্ছে।
সড়কের পল্লী বিদ্যুত অফিসের পাশে ও উপজেলা পরিষদে প্রবেশ সংলগ্ন গেটের সন্নিকটে অতিসম্প্রতি ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে বৃষ্টির পানি জমে যায়। পরবর্তীতে ব্যস্ততম এ সড়কের অংশে গর্ত কিংবা খানাখন্দ বাড়তেই থাকে। বর্তমানে ওই অংশদিয়ে যানবাহনতো দূরের কথা জনসাধারণের পায়ে হেঁটে চলাচলই দুরহৃ হয়ে উঠেছে।
ভূক্তভোগিরা জানিয়েছেন, অপরিকল্পিতভাবে সড়ক নির্মান করা হলেও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার কারণে বৃষ্টির পানি সরতে পারছেনা। যেকারণে সেখানেই বৃষ্টির পানি জমে থাকে সেখানেই ধীরে ধীরে সড়ক ড্যামেজ হয়ে গর্ত কিংবা যানবাহন চলাচলের কারণে খানাখন্দের সৃষ্টি হচ্ছে।
তারা আরও জানিয়েছেন, গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ড ও বন্দর সড়কের পাশে দীর্ঘদিন থেকে স্থানীয়রা ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি করে আসলেও সে ব্যাপারে কখনও কেউ কার্যকরী কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। ফলশ্রুতিতে ব্যস্ততম এ সড়কটির দুর্ভোগ কোনভাবেই কমানো যাচ্ছেনা।
বর্তমানে সড়কের উল্লেখিত খানাখন্দ ও গর্তের অংশে পুরো রাস্তাজুড়ে ময়লা-আবর্জনা ও নোংরা পানি জমে রয়েছে। খানাখন্দ ও কাঁদাপানিতে ভরা অংশটুকুর সড়ক দিয়ে বর্তমানে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ছোট ছোট যানবাহনের চালকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মাঝে মধ্যেই পানি জমে থাকায় খানাখন্দ ও গর্তের অংশে এ সড়ক দিয়ে জনসাধারণের চলাচলের প্রধান বাহন যাত্রীবাহি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক উল্টে পরতে দেখা গেছে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করছেন। বেশকিছুদিন থেকে রাস্তার এমন বেহাল অবস্থার কারণে পথচারী, যানবাহন চালক ও ব্যবসায়ীরা পরেছেন চরম ভোগান্তিতে। বিশেষ করে সামান্য বৃষ্টি হলেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
ভূক্তভোগীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে ব্যস্ততম ও জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহালদশার অংশটুকু সংস্কারসহ পরবর্তী সময়ে স্থায়ীভাবে এ সমস্যা সমাধানের জন্য রাস্তার পাশে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম বলেন, পুরো সড়কের অবস্থা ভাল থাকলেও তুলনামূলকভাবে খানাখন্দের অংশটুকু খুবই কম। যেকারণে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সড়ক সংস্কারের জন্য দরপত্র আহবান করা যাচ্ছেনা। তারপরেও দ্রুতভাবে অন্যকোন উপায়ে খানাখন্দের অংশটুকু সাময়িকভাবে সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এ সড়কের প্রধান সমস্যা হচ্ছে কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। যেকারণে সড়কের দুইপাশে সড়ক থেকে উঁচু করে ব্যক্তি মালিকানাধীন বড় বড় পাকাস্থাপনা নির্মান করায় বৃষ্টির পানি গড়িয়ে সড়কের ওপর পরছে। ওই পানি অন্যকোন জায়গায় নামতে না পারার কারণে সড়কের ওপর জমে রাস্তা ড্যামেজ গয়ে খানাখন্দ কিংবা যানবাহনের চাঁপে গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। এর থেকে স্থায়ী সমাধান পেতে সড়কের পাশে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ছাড়া অন্যকোন উপায় নেই। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে। সরকারি নিয়মানুযায়ী এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);