সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বৃদ্ধি পাবে। নতুন নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী, প্রথম দুই বছরে মূল বেতনের ওপর ৫০ শতাংশ সমন্বয় এবং তৃতীয় বছরে ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা যুক্ত করার প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। এর জন্য আসন্ন বাজেটে ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ রাখা হবে।
অর্থ বিভাগের সূত্র জানায়, পুনর্গঠিত কমিটি ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মতামত পর্যালোচনা করেছে। কমিটি মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক সক্ষমতা ও সরকারের রাজস্ব ক্ষমতা বিবেচনায় ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো প্রস্তাব করেছে।
পরিকল্পনার মূল ধাপসমূহ:
*১ জুলাই ২০২৬ (প্রথম ধাপ): *বিদ্যমান মূল বেতনের ওপর ৫০ শতাংশ সমন্বিত বেতন।
*পরবর্তী অর্থবছর (দ্বিতীয় ধাপ): আবারও মূল বেতনের ওপর সমপরিমাণ সমন্বয়। পূর্বের ভাতা ও সুবিধা বজায় থাকবে।
*তৃতীয় ধাপ (২০২৮-২৯ অর্থবছর): বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত, ঝুঁকি ভাতা ও অন্যান্য বিশেষ প্রণোদনা কার্যকর হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, একবারে সব সুবিধা চালু করলে সরকারের ওপর বড় আর্থিক চাপ পড়বে। তাই ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।
নবম পে-স্কেলে প্রশাসন, শিক্ষক, পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী, মাঠ প্রশাসন, বিচারকর্মীসহ সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও এতে প্রভাবিত হতে পারেন।
কমিটি নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির হার তুলনামূলক বেশি রাখার সুপারিশ করেছে। এতে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় সবচেয়ে বেশি পড়া স্তরগুলোকে সহায়তা দেওয়া হবে এবং বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য কমানো সম্ভব হবে।
পেনশনভোগীদের জন্যও সুপারিশ রয়েছে। মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশনপ্রাপ্তদের জন্য ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি, ২০–৪০ হাজার টাকার পেনশনপ্রাপ্তদের ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি, আর ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশনপ্রাপ্তদের ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি প্রস্তাব করা হয়েছে। চূড়ান্ত হারের ঘোষণা আগামী অর্থবছরের বাজেটের পর জানা যাবে।
সাবেক অর্থ সচিবরা ও পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মনে করেন, মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় তিন ধাপে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা যৌক্তিক এবং কৌশলী সিদ্ধান্ত।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);