পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৫ বছর ধরে জাল সনদে চাকুরির অভিযোগ উঠেছে। খোদ বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক স্বীকার করছেন যে টাইম স্কেলে বিএড সনদ ত্রুটির কারনে আবেদন বাতিল করা হয়েছে। ঘটনাটি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ে সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক মামুনুর রশিদের বিরূদ্ধে।
খোঁজ নিয়ে জানান মামুনুর রশিদ শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ে গত ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সহকারী শিক্ষক (সমাজ বিজ্ঞান) হিসেবে যোগদান করেন। সেই সাথে বিএড ডিগ্রী পাসের জাতীয় ব্শি^বিদ্যালয়ের সনদ দাখিল করেন। তবে গত ২০২৪ সালের ৬ ডিসেম্বর ওই সনদ দাখিল করে প্রথম টাইম স্কেল (উচ্চতর স্কেল)’র জন্য উপ পরিচালক মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা রংপুর অঞ্চলে আবেদন করে সেখান থেকে বিএড সনদ যাচাই করে পিতা মাতার নাম সহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে পুনরায় আবেদনের নির্দেশ দেন।
পরে গত বছর ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল পুনরায় উচ্চতর স্কেলের আবেদন করেন মামুনুর রশিদ। কিন্ত গত বছর ৬ এপ্রিলে আবেদনের ফলে মামুনুর রশিদের বিএড সনদটিকে ফেক বলে আবেদন নাকচ করেন। এ নিয়ে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মাঝে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। এদিকে মামুনুর রশিদের দাখিল করা বিএড সনদটির রোল রেজিস্ট্রেশন বোদা উপজেলার মামুনুর রশিদ নামে মুল সনদধারী বলে জানা যায়। শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের মামুনুুর রশিদের সনদে কয়েকটি সন্দেহজনক প্রকৃত সনদের সাথে দৃশ্যমান ত্রুটি দেখা যায় সনদটির রং রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ক্রমিক নাম্বারেও ত্রুটি দেখা যায়। জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের প্রকৃত সনদের উপরিভাগে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের নিচে গাজিপুর বাংলাদেশ লেখা নেই অথচ দাখিলকৃত মামুনুর রশিদের সনদে গাজীপুর বাংলাদেশ লেখা পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মামুনুর রশিদের সাথে কথা হলে তিনি জানান আসলে আমি দারুল এহসান বিশ^বিদ্যালয়ের বিএড সনদ দাখিল করেছি। তবে কেন উচ্চতর স্কেলের অবেদন বাতিল হলো এ বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি । তবে আবারও উচ্চতর স্কেলের জন্য আবেদ করবেন বলে জানান অভিযুক্ত শিক্ষক মামুনুর রশিদ।
তেঁতুলিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার শওকত আলী মুঠোফোনে জানান আসলে মামুনুর রশিদের বিএড সনদ বিষয়ে জটিলতার কথা শুনেছি তবে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাইনা কারন এখন পর্যন্ত বিষয়টি তদন্ত হয়নি আমাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হলে বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে পারবো।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);