হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাপানের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে প্রস্তুত রয়েছে তেহরান—এ কথা জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
জাপানি সংবাদ সংস্থা কিয়োদো নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালী এখনো বন্ধ করা হয়নি; এটি স্বাভাবিকভাবেই উন্মুক্ত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, টোকিওর সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা শেষে জাপানি জাহাজগুলো এই পথ দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
জাপানের জন্য এই ঘোষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশটির ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। আর এই সরবরাহের সিংহভাগই পারস্য উপসাগরের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়।
এর আগে, ইরান ঘোষণা করেছিল যে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো তেলের কার্গো হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দেবে না। তবে জাপানের ক্ষেত্রে তেহরানের সুর কিছুটা নরম। ঐতিহাসিকভাবেই ইরানের সঙ্গে জাপানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।
জাপান সরকারও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে বেশ সতর্ক অবস্থান বজায় রেখে চলেছে। যদিও তারা ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং পারস্য উপসাগরের দেশগুলোর ওপর ইরানের পাল্টা হামলার সমালোচনা করেছে। তবে ইরান বা ইসরাইলের সরাসরি হামলার বিষয়ে টোকিও সরাসরি কোনো পক্ষ নেওয়া থেকে বিরত থেকেছে।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);