বেনাপোল স্থলবন্দরের কর্মচারীদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচির কারণে হুমকির মুখে পড়েছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য এবং পাসপোর্ট যাত্রী চলাচল। অনতিবিলম্বে অধিকাল (ওভার টাইম) ভাতা পুনরায় চালু না হলে নির্ধারিত অফিস সময়ের বাইরে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত কর্মচারীরা।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় বেনাপোল স্থলবন্দরের কার্গো ভেহিক্যাল টার্মিনালের প্রধান ফটকের সামনে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
মানববন্ধন চলাকালে বন্দরের সার্বিক কার্যক্রমে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে যায়, বন্দর এলাকায় আটকে পড়ে একাধিক পণ্যবাহী ট্রাক। ফলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য যাতায়াত, পণ্য পরিবহন, খালাস প্রক্রিয়া এবং পাসপোর্ট যাত্রী চলাচল ব্যাহত হয়।
বিক্ষোভকারীরা জানান, সরকারের নির্ধারিত অফিস সময়ের বাইরে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করলেও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ২৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আওতাধীন কর্মচারীদের অধিকাল ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে কর্মচারীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন এবং এর ফলে তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও পাসপোর্ট যাত্রী চলাচল সচল রাখতে প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত, এমনকি অনেক সময় গভীর রাত পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়। পাশাপাশি সরকারি ছুটি ও ঈদের দিনেও কাজ করতে হচ্ছে, অথচ সেই অতিরিক্ত শ্রমের ন্যায্য পারিশ্রমিক থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।
বিক্ষোভসভায় বক্তারা দ্রুত অধিকাল ভাতা পুনরায় চালু ও বকেয়া ভাতা পরিশোধের জোর দাবি জানান। দাবি আদায় না হলে পর্যায়ক্রমে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
কর্মসূচিতে বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মরত বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও গত ১২ জানুয়ারি সারাদেশের অন্যান্য বন্দরের সঙ্গে একযোগে বেনাপোল বন্দরের প্রধান ফটকের সামনে একই দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছিলেন তারা। আন্দোলনরত কর্মচারীরা জানান, এ কর্মসূচি দেশের সব স্থলবন্দরেই একযোগে পালিত হচ্ছে।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, অধিকাল ভাতা সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলমান আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের অবাধ যাতায়াত, পণ্য পরিবহন, খালাস কার্যক্রম এবং পাসপোর্ট যাত্রী চলাচল মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে।
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);